পাশের বাড়ির মিতালি।
পাশের বাড়ির মিতালিটা, সে কি আর আগের মতো হাসে?
হাঁটতে দেখেছিলাম একদিন, ছেঁড়া স্যান্ডেল পায়ে বাসে।
বাবা ছিলেন সরকারি কর্মী, সৎ আর সাদাসিধে মানুষ,
তাই স্বপ্নগুলো তার কখনো হয়নি ছোঁয়া ধূসর ফানুস।
ওরা তো বলতো, “মেয়েটাকে ডাক্তার হতেই হবে,”
স্বপ্নপূরণের চাপটা নিয়ে মিতালি চলতো নীরবে।
ফেল করলো দু’বার, তারপর শুনলাম কী যেন হলো তার,
বিয়ে হয়ে গেলো পঁয়ত্রিশে, পাত্রের নাকি বিরাট কারবার।
এখন মিতালি শাড়ি পরে দামী, হাতে আইফোন,
কিন্তু চোখটা দেখে বুঝি, ওটা কেবলই অভিনয়।
আসলে তো স্বপ্নগুলো বন্দী আজ সোনার খাঁচায়,
শিক্ষিত মেয়েটা এখন শুধু রান্নাঘর সামলায়।
এই হলো সমাজের ছবি, সবটাই তো মেকি,
স্বপ্ন নয়, জীবন চলে যায়— এই নির্মম সত্য দেখি।
জানলার ফাঁকে সে হাসে, জিজ্ঞেস করে, “কেমন আছো?”
আমি বলি, “বেশ আছি,”— আসলে মিথ্যেরই তো বসবাসও!
