কবিতার নাম: অন্তরের শান্তির পথ
আধ্যাত্মিক জীবন মানে পৃথিবী ছেড়ে যাওয়া নয়, বরং নিজের ভেতরে ফিরে আসা।
যেখানে প্রতিদিনের টেনশন শব্দ করে কাঁপায় মন, সেখানে নীরবতা শেখায় স্থির হতে।
বিষণ্ণতা যখন দীর্ঘ ছায়া হয়ে পাশে বসে, তখন বিশ্বাস ধীরে আলো জ্বালে।
উদ্বেগের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া শ্বাস আবার নিজের ছন্দ খুঁজে পায়।
আধ্যাত্মিকতা কোনও জাদু নয়, তবু তা মনকে দেয় গভীর আশ্রয়।
এখানে কষ্ট অস্বীকার হয় না, বরং বোঝা যায় আরও মানবিকভাবে।
নিজেকে দোষারোপ করার অভ্যাস এখানে আলগা হয়ে যায়।
সময়ের চাপ তখন আর বুকের ওপর পাথর হয়ে বসে থাকে না।
প্রার্থনা হোক বা ধ্যান, তা মনে এনে দেয় প্রশস্ত আকাশ।
যেখানে ভাবনাগুলো আর একে অন্যকে ধাক্কা দেয় না।
এই শান্তিতেই লুকিয়ে থাকে মুক্তির প্রথম স্বাদ।
ভেতরের শব্দ কমলে বাইরের পৃথিবীও সহজ লাগে।
আত্মার সঙ্গে সংলাপ শুরু হলে ভয় ধীরে বিদায় নেয়।
মানুষ তখন শেখে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি নয়।
শান্ত থাকা কোনও দুর্বলতা নয়, বরং শক্তির চূড়া।
এই পথেই টেনশন, বিষণ্ণতা ও উদ্বেগ ধীরে মিলিয়ে যায়।
— জিয়াউর রহমান শিলন
Ziaur Rahaman Shilon

Comment
