অনু গল্প “অদ্ভুত আঁধার”
অফিস থেকে ফিরে জানালার পর্দাটা টেনে সরিয়ে দিয়ে সোজা শুয়ে পড়লাম খাটে। বালিশের নরম আবেশে দুই মিনিট চোখ বন্ধ করে শুয়ে রইলাম। জানালার দিকে তাকাতেই তার একখানা হাত ধরা দিল, তার জানালায়। হালকা সবুজ রঙের অর্ধেক জুড়ে পর্দা দেয়া। এটুকুই দেখা যায়।
ভরসন্ধ্যায়, ধূমায়িত কাপটি হাতে ধরা—চা না কফি? আমারও বেশ তেস্টা পায়। একা সংসারে আমাকেই সব বানিয়ে আনতে হবে। বোতল থেকে ঢকঢক করে দু-তিন চুমুক পানি খেয়ে চা বসালাম। রান্নাঘর থেকে ঐ ঘরটা দেখা যায় না। তাই তড়িঘড়ি আনতে গিয়ে হাতে একটু ছলকে পড়লো।
একে দেখে মনে হয়, যেন কলমের খসখস শব্দ এখান থেকে শোনা যাচ্ছে। আমি চায়ে চুমুক দিতে দিতে যেন তার কবিতা লেখা দেখি। দেখা? শুধু ঐ একটা হাত। পুরো মানুষ দূরে—অন্য হাতটাও অদেখা।
