রম্য ব্যঙ্গ ধর্মীয় কবিতা-
কবিতার নাম: “উল্টোপুরের কাণ্ডকারখানা”
উল্টোপুরে সকাল হলে সূর্য ওঠে পশ্চিমে,
মোরগ ডাকে সন্ধেবেলা ঘুম ভাঙে অবশেষে।
নদী নাকি পাহাড় বেয়ে উঠে যায় উঁচু ঢালে,
নৌকা চলে ধানের ক্ষেতে কাদা মাখা জালে।
মাছেরা সব গাছে বসে পাখির মতো দোলে,
পাখিরা যায় জলের নিচে সাঁতার কেটে চলে।
শিক্ষক নাকি ছাত্রদেরই জিজ্ঞেস করে পাঠ,
ছাত্র বলে—“ভুল হয়েছে, শিখুন স্যার আজ।”
ঘড়ির কাঁটা উল্টো ঘোরে সময় পিছু হাঁটে,
বুড়োরা সব দোলনায় যায় বাচ্চাদেরই সাথে।
ছাতা ভিজে বৃষ্টির জলে মানুষ থাকে শুকনো,
রোদ দেখিলে বরফ কাঁপে ঠান্ডা লাগে ভীষণ।
কলম লিখে নিজের মনে লেখক পড়ে চুপে,
হাসির ভিড়ে কান্না ফোটে অদ্ভুত এক রূপে।
ঘুম পেলে সব হাঁটতে বেরোয় জেগে থাকলে শোয়,
ক্ষুধা এলে হাঁড়ি ভরে বাতাস খেয়ে রয়।
উল্টোপুরে সবই বাঁকা তবু মজার দেশ,
সোজা পথে হাঁটতে গেলেই সবাই বলে—“শেষ!”
Ziaur Rahaman Shilon

Comment
