কবিতার নাম: “ডাঙায় কুমির জলে বাঘ”
ডাঙায় কুমির হাঁটে নাকি জলে ঘুরে বাঘ,
উল্টো পথে চলে সবাই বুঝে না কেউ ভাগ।
গাছে উঠে মাছের দল গান গেয়ে যায় দুলে,
পাখিরা সব জলে নামে সাঁতার কাটে কূলে।
ঘোড়া চড়ে গাড়ির গায়ে টানে মানুষ ভার,
হাসতে গিয়ে কাঁদে সবাই কাঁদতে লাগে হাসার।
রাতে ওঠে রোদের ঝিলিক দিনে নামে চাঁদ,
ঘুমের মাঝে কাজের ভিড় জাগলে সবাই ফাঁদ।
বই পড়ে কলমখানা লেখক শোনে চুপে,
শিক্ষকেরে পড়ায় ছাত্র গুরুগম্ভীর রূপে।
ডাঙায় নৌকা ভাসে যেন মাঠের মাঝে জল,
নদী উঠে পাহাড় চড়ে নামে আবার ঢল।
ঘড়ির কাঁটা উল্টো ঘোরে সময় পিছু টানে,
বুড়োরা সব খেলতে নামে শিশুরা যায় টানে।
খিদে পেলে বাতাস খায় ভাত পড়ে যে থালায়,
রান্না হলে হাঁড়ি খুশি ধোঁয়া হাসে জ্বালায়।
এমন দেশে সোজা কথা উল্টো শোনায় সুর,
উল্টো পথে চললেই নাকি সবাই বড় গুরু।
তাই তো দেখি উল্টো জগৎ মজার অদ্ভুত রাগ,
ডাঙায় কুমির ঘুরে বেড়ায় জলে নাচে বাঘ।

