প্রশ্ন–১) প্রথম দিকে কী কী বিষয়গুলি লিখতে অনুপ্রাণিত করেছিল, এবং সেই অনুপ্রেরণা কীভাবে প্রভাবিত করে আজও?
উত্তর: ছোটবেলা থেকেই বই পড়ার অভ্যাস এবং চারপাশের সমাজ-জীবনের নানা অভিজ্ঞতা আমাকে লিখতে অনুপ্রাণিত করেছে। মানুষের সুখ-দুঃখ, অনুভূতি ও জীবনের ছোট ছোট ঘটনাই আমার লেখার মূল উৎস। সেই অনুপ্রেরণাই আজও আমার লেখাকে নতুন ভাবনা ও অনুভূতিতে সমৃদ্ধ করে।
প্রশ্ন–২) প্রথম ধারণা থেকে চূড়ান্ত খসড়া পর্যন্ত আপনার সাধারণ লেখার প্রক্রিয়াটি কী রকম?
উত্তর: সাধারণত কোনো একটি ভাবনা বা অনুভূতি থেকেই লেখার শুরু। প্রথমে সেই ভাবনাটি সংক্ষেপে লিখে রাখি, তারপর ধীরে ধীরে তাকে বিস্তার দিই। পরে কয়েকবার পড়ে ভাষা, গঠন ও ভাবের সামঞ্জস্য রেখে লেখাটিকে সংশোধন করে চূড়ান্ত খসড়া তৈরি করি।
প্রশ্ন–৩) শুরুতেই কি একটি পরিষ্কার রূপরেখা তৈরি করে লেখেন, নাকি লেখার সময়ই প্রতিটি ধাপ আবিষ্কার করতে পছন্দ করেন এবং কেন?
উত্তর: অনেক সময় একটি সামান্য রূপরেখা মাথায় রেখে লেখা শুরু করি। তবে লেখার সময়ই অনেক নতুন ভাবনা এসে যায়, তাই লেখার ভেতর দিয়েই নতুন ধাপ আবিষ্কার করতে আমার ভালো লাগে। এতে লেখা আরও স্বতঃস্ফূর্ত ও প্রাণবন্ত হয়।
প্রশ্ন–৪) কীভাবে লেখার চরিত্রগুলোকে গড়ে তোলেন যাতে তারা সত্যিকারের এবং আবেগগতভাবে বাস্তব মনে হয়?
উত্তর: চরিত্র গড়ে তোলার সময় বাস্তব জীবনের মানুষ ও তাদের অভিজ্ঞতা থেকে অনেক কিছু গ্রহণ করি। মানুষের অনুভূতি, আচরণ ও কথাবার্তাকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে চরিত্রকে এমনভাবে নির্মাণ করার চেষ্টা করি, যাতে পাঠকের কাছে তা জীবন্ত ও বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়।
প্রশ্ন–৫) সৃজনশীল লেখায় ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ভূমিকা কতটা?
উত্তর: সৃজনশীল লেখায় ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিজের দেখা, শোনা ও অনুভব করা ঘটনাগুলো লেখাকে বাস্তবতা ও গভীরতা দেয়, ফলে পাঠকের সঙ্গে একটি স্বাভাবিক আবেগগত সংযোগ তৈরি হয়।
Ziaur Rahaman Shilon

Comment
