তর্জনী আজ উদ্যোত হোক
অন্ধকার ঐ গলির মোড়ে মত্ত পশুর হাসি।
তার চেয়েও বেশি বীভৎস আজ বিচারক-এর ফাঁসি। মোমবাতি আর মিছিলে শুধু কাটবে না এই ঘোর, আর কত কাল সইতে হবে লাঞ্ছনা আর জোর?
রাতের শহর তোমার একার? রাস্তা কি কারোর বাপের? ভয় দেখিয়ে শাসন করা—সবচেয়ে বড় পাপ।
পোশাক আর সময়ের দোহাই দিচ্ছে যারা আজও।
আসলে তারাই পশুর সমান, দেখছে ঘৃণ্য কাজও।
দেবী বলে প্রণাম করো, পুজো করো ঘটা করে।
সেই হাতই তো জাপটে ধরে সুযোগ পেলেই ঘরে।
রক্তে ভেজা ওড়না যখন বিচার খুঁজে ফেরে, তখন কেন শকুনিরা সব যায় মাথা নেড়ে?
রোজ বিকেলে লক্ষ সীতা কেন আজ পুড়বে? কেনই বা আজ নরপিশাচরা বুক ফুলিয়ে ঘুরবে?
আশ্রয় নয়, করুণা নয়—অধিকারটাই চাই, অন্যায়ের ঐ ক্ষমতাকে আজ, পুড়িয়ে করো ছাই।
জাগো জননী, জাগো ভগিনী, হাতে তোলো হাতিয়ার, নিজের লড়াই লড়তে হবে, নেই যে উপায় আর।
নখগুলো আজ অস্ত্র হোক, তর্জনী হোক সোজা, ভয় সরিয়ে এবার শেখো সম্মানে বেঁচে থাকা।
******

