নদীর দুঃখ
মোহাম্মদ রবিউল আলম
মনের সুখে কাব্য লিখি
নদীর তীরে দাঁড়িয়ে,
নদীর দুঃখে ভাবনারা সব
যায় অজানায় হারিয়ে।
নদীর দুঃখের অনেক কারণ
যায় না সেসব বলা,
জলের ধারা শুকিয়ে গেছে
বেরিয়ে গেছে তলা।
নদীর আরো দুঃখ অনেক
লিখবো কয়টি পদ্যে,
হাজার কথায় শেষ হবে না
যদি লিখি গদ্যে।
আমরা যখন কিশোর ছিলাম
নদীর ছিল যৌবন,
মধুর মধুর কথা বলতো
ঠিক যেন এক মৌ বন।
নদীর জলে সাঁতার কেটে
পাড়ার ছেলে-মেয়ে,
ক্লান্ত হয়ে ফিরতো বাড়ি
স্বচ্ছ জলে নেয়ে।
নদী তীরের বালির বুকে
লিখতাম কত লেখা,
ঢেউয়ের তোড়ে হারিয়ে গেছে
যায় না তা আর দেখা।
সাঁতার কাটার বন্ধুরা আজ
আপন গৃহে ব্যস্ত,
সংসারটাকে আপন করে
বরের সেবায় ন্যস্ত।
অধম কবি সাঁঝের বেলায়
নদীর তীরে বসে,
অতীতের সব স্মৃতির খাতা
দেখছি হিসেব কষে।
কী বিলিয়ে কী পেয়েছে
হিসাব মেলা ভার,
সুখগুলো সব পরকে দিয়ে
দুঃখগুলো তার।
কবির দুঃখে দুঃখী নদী
করলো তাকে আপন,
বললো তাকে,”এমনি করেই
করবি জীবন যাপন।”
Md. Golam Rabiul Alam
