পুষ্টির চাহিদা এবং অর্গানিক- ন্যাচারাল খাদ্য
পাহাড়ি মোরগ মুরগী
——————————————
বর্তমানে পুষ্টির চাহিদা এবং অর্গানিক- ন্যাচারাল খাদ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে মানুষ দিন দিন সচেতন হচ্ছে।
আমিষ খাদ্যের অভাব তেমন না থাকলেও প্রাকৃতিক আমিষ খাদ্যের অভাব রয়েছে আমাদের দেশে। যদি মুরগীর মাংসের কথা বলি, পোল্ট্রি মুরগী আমরা হরদম খাচ্ছি। অথচ একবারও ভেবেছি এই পোল্ট্রি মুরগী সঠিকভাবে আমরা গ্রহণ করছি কিনা? অথবা স্বাস্থ্য বিধি মানা হচ্ছে কিনা? এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকে যায়, এবিষয়ে আমরা কতটুকু সচেতন।
পোল্ট্রি মুরগীর একটি জীবন চক্র থাকে। যেখানে ভালো খারাপ দুটি বিষয় রয়েছে। যার খারাপ দিকটির কারণে আমরা মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে নিমজ্জিত হচ্ছি প্রতিদিন। পোল্ট্রি মুরগী যে জীবন চক্র থাকে সেটা পরিপূর্ণ না হবার কারণে প্রধানত এই স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছি
অর্থাৎ আমি যে বিষয়টা নিয়ে বলতে চাইছি, পরিপূর্ণ বয়স। বয়লার মুরগির প্রধানত ৩০-৩৫ দিনের মধ্যে খাবারের উপযোগী হয়ে থাকে। ওজনের ক্ষেত্রে ১.৫-২ কেজি হয়ে থাকে। কিন্তু বর্তমানে বাজারে আমরা দেখতে পাই প্রকৃত উপযোগী হবার আগেই খামারিরা অতিরিক্ত লাভের আশায় বাজারজাত করে দেন। আগে বিক্রির মধ্যে সমস্যা থাকত না, যদি না সেখানে ওষুধের ব্যবহার হতো। কারণ রোগবালায় প্রতিরোধের জন্য বিভিন্ন রোগের টীকা ছাড়াও মুরগি দ্রুত বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন,মিনারেল, এন্টিবায়োটিক ঔষধ প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। যেগুলো প্রয়োগের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট সময় পার না হওয়ার আগে মুরগি জবাই বা ভক্ষণ করা নিষিদ্ধ রয়েছে। এই সময়ের ক্ষেত্রে কিছু ভিটামিন-মিনারেল ঔষধ ৫-৭ দিন এবং এন্টিবায়োটিক ঔষধ এর ক্ষেত্রে ৭-১০ দিন ক্ষেত্র বিশেষে ১৪ দিন হয়ে থাকে।
(এছাড়াও এমন কিছু নিষিদ্ধ ভিটামিন, এন্টিবায়োটিক রয়েছে যেগুলো ১৫-৩০ কিংবা তারও বেশি সময় ধরে কার্যকর থাকে।)
এখানে মূল কথা হচ্ছে ঔষধ প্রয়োগের পর মুরগির শরীর তা শোষণ করার আগে অর্থাৎ শরীরে কার্যকর থাকা অবস্থায় যদি মুরগি বাজারজাত করা হয় এই মুরগি ক্রয়ের মাধ্যমে মানুষ প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এর একটি জ্বলন্ত উদাহরণ বর্তমানে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন। একটু সচেতন হলে, দেখবেন বয়লার মুরগি বিক্রির দোকানের আশেপাশে যেসব কুকুর এবং বিড়াল বয়লার মুরগির নাড়িভুরি খেয়ে থাকে সেসব কুকুর -বিড়ালের গায়ে মারাত্মক ক্ষতের সৃষ্টি হয়ে থাকে। চট্টগ্রাম অঞ্চলে আমি এই কুকুর -বিড়ালের সংখ্যা প্রচুর পরিমাণে লক্ষ্য করেছি…….
এবিষয়ের বাকি অংশ আমরা আগামী পর্বে আলোচনা করবো। তবে এ-ই স্বাস্থ্য ঝুঁকি হতে নিজেদের রক্ষায় আমরা ন্যাচারাল – অর্গানিক খাবার সন্ধান করতে হবে।
গ্রন্থণা : মোফাচ্ছেল চৌধুরী মানিক শাহ, লেখক -গবেষক, সাব এডিটর, দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা
#viralシfb #viral #Bangladesh #public #beautiful

