Swapankumar Pahari

এক ডজন ছড়া
(পঞ্চম কিস্তি)
স্বপনকুমার পাহাড়ী

কারা যেন

অফিস পার্সোনেল
ডাঁটিয়াল ফ্রিজিয়া
আপিসে ঢোকার মুখে
গেল পুরো ভিজিয়া।
শ্বেতবাস ধবধবে
বিলকুল জবজবে
কারা যেন চেম্বারে
উঁকি দেয়?–জী জী হাঁ!

গঞ্জিকাদেবী

সেই যে গঞ্জিকাদেবী থাকতো গড়িয়াতে
কাঠের ঘোড়াটি পেয়েই চড়ে বসলো তাতে।
হেট হেট জলদি চল হেট
হয়ে গেছে নিতান্ত লেট
মোহনবাগানকে আজ গোল দেবো রাতে!

মাপ

বিয়ের আগে এই তো সেদিন
নিয়েছিলেন মাপ।
হানিমুনের রাত পোয়ালে
আরে, বাপ রে বাপ!
নতুন ব্রা যে ফিট করে না–
পাল্টে গেল মাপ!

কেমন করে এমন হোলো
কার যে অভিশাপ!

হঠাৎ সেদিন

হাত দুখানা হোলো যখন ডানা
চাঁদের দেশে অমনি দিলে হানা!
চরকা ফেলে চাঁদের বুড়ি
চড়বড়িয়ে ভাজলো মুড়ি
মুড়ির সাথে দিল মেঠাই-ছানা–
জলখাবারে রইল নাকো মানা!

বেচারা

ভুল ক’রে শ্যালিকার
শাড়িখানা পিন্ধন।
তাই নিয়ে চৌদিকে
রটে গেল নিন্দন!

শ্যালিকার পিন্ধনে
ধুতিটা কি ইন্ধন?

পিয়াফ

ফরাসিনী সুগায়িকা এদিথ পিয়াফ
স্টেশনে বান্ধবীরে করেন সী-আফ।
ফিরিবার পথে দেখা
তখন আমিও একা
চা খাবেন?প্রস্তাবে বলেন: জী, হাফ!

কুমীরে-কুমীরে

টাকার কুমীর রামদাস সাউ
কুমীরে কইছে ডেকে,
কত টাকা তুই জমা করেছিস
বল দিকি ব্যাটা হেঁকে।
কুমীর বললে, বলছি তা আমি শুনুন
চোখ দুটো বুজে এক থেকে দশ গুনুন
গুনতে গুনতে নদীতে নামুন
ঐ নৌকোটি থেকে!

গোঁফু

এক যে বিশাল বপু
সাংহাই পৌঁছে সাবড়ে চলে
শুধুমাত্তর তোফু।
এদিকে গোঁফ ঝাঁটার
নাকি সজারু-কাঁটার
নাম পেয়েছে ‘গোঁফু’!

নাম

নামটি তেনার চক্রধর।
ভাইটি হলেন তক্রধর।
স্যাঙাত ভায়া নক্রধর।।
১০
বিনোদকুমার

বিনোদকুমার বাছাড়
থাকেন কোথা?
কাছাড়।
প্রিয় খাদ্য?
আছাড়!
১১
পেঁচি

খেঁদি নয়, খেঁদি নয়,
নাম ছিল পেঁচি–
খাবার পেলেই শুরু
জোর চেঁচামেচি।
বিয়ে নিয়ে তরজা
গর্জা রে, গর্জা
ওরই সাথে হোলো তাই
জোর খ্যাঁচাখেঁচি!
১২
ন্যাংটো পার্টি

ন্যাংটো আমি, ন্যাংটো তুমি
ন্যাংটো সবাই নাচি,
ফিলিম তো নয়—সেন্সর বোর্ড
চালিয়ে দেবে কাঁচি!
চলছে ডিজে,
বলবো কী যে
বাঁচার মত বাঁচি!

Comment