হ্যাঁ গ ওয় টুকিয়ার মা
”হ্যাঁ গ ওয় টুকিয়ার মা,” শুনছ কি ওগো বলি?
বাঁকা চোখে চেয়ে কেন দাও শুনি গালি?
উঠোনেতে রোদে দিলে এক সরা ধান,
বাপের ঘরের গর্বে ফোলাও কত ফ্যান!
হাঁড়ি-কুড়ি ঠেলে তুমি দিন করো পার,
একটু না ডাকলে কি জোটে না আহার?
ছেঁড়া শাড়ির আঁচলখানি লুটাচ্ছ যে ধুলোয়,
আগুন দিয়েছ বুঝি আজ তোমার উনুনোয়?
টুকিয়াকে পাশে নিয়ে বসো কেন রোয়াকে,
ভয় দেখাচ্ছ বুঝি আজ ঐ কুলের বাঁকে?
সোনার নোলক দুলিয়ে কর বড়ই বাহাদুরি,
মনটা তোমার আছে পড়ে ঐ পুবের কুরি।
দিনরাত মেজাজ খানা চড়ে থাকে বেশ,
চুল বাঁধার তো পাই না খুঁজে কোনোই অবশেষ।
কথায় কথায় ঠোঁট ওল্টাও, করো কত ঢং,
সংসারের ওই ঘানি টানতে বদলাও যে রঙ।
সাঁঝবেলাতে প্রদীপ জ্বেলে বসো যখন একা,
মাঝে মাঝে পাই যে তবে আসল তোমার দেখা।
তাচ্ছিল্যটা মুখে রাখি, মায়াটা নয় মনে,
এভাবেই তো কেটে গেল আমাদের এই কনে।

