“কর্কট”
সময় মতো আমি ও দেখে নিবো, আমাকে পাত্তা না দেয়া! কিন্তু তাকে দেখে নেয়া দূরে থাক,চর্ম চক্ষুতে ও দেখা হয়না বছর দুয়েক। অবশ্য আমার ইচ্ছে ও ছিল না। হঠাৎ সেদিন শপিং মলে সহজের সাথে দেখা। আমাকে দেখে বলে – কিরে তন্দ্রা,কই ছিলি? কি করছিস আজকাল? সেই যে ইউনিভার্সিটি ছাড়লি আর পাত্তাই নেই!সোশ্যাল মিডিয়ায়ও খুঁজে পাওয়া যায় না। উত্তরে ছোট করে বললাম – ঐ আর কি! তোদের কি খবর?”বহুবচন বল্লি? খবরটা পেয়েছিস?অনুর খবর?”আমার দেখে নিবো ভাবটা জেগে উঠলো। বললাম – না তো, কি খবর তার?ও..পানি, গতবছরের নভেম্বরে ও চলে গেল।- তা কোথায়? মঙ্গল গ্রহে? উদাসী দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল “হবে হয়তো,পরপার কোথায়, কোন গ্রহে আমারা তো আর জানি না!”আমি কি হার্টের বিট মিস করলাম! কোন রকমে বললাম – কি করে?- লিভারে ক্যান্সার বাসা বেঁধেছিল।কেন ,জানতিস না? ফাইনাল ইয়ারে ধরা পড়েছিল।”আমি আর কিছু শুনতে পাচ্ছিলাম না।। মনে পড়ে গেল যেদিন ও আমাকে ফিরিয়ে দিয়েছিল,আজ বুঝলাম কেন হাঁসিতেও চোখ ভিজে যাচ্ছিল।
Rayhana yeasmin

Comment
