আঞ্চলিক ইতিহাস ভিত্তিক প্রবন্ধ
চন্দননগরের সাথে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের যোগসূত্র
ক্ষেত্রসমীক্ষক ও প্রাবন্ধিক
অনির্বাণ সাহা
চন্দননগর
প্রায় একশো বছর আগের প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মৃত এক বাঙালি সৈনিকের ব্যবহৃত সরঞ্জাম হঠাৎই খুঁজে পাওয়া গেছে। কলকাতার কাছে, পূর্বতন ফরাসি উপনিবেশ চন্দননগরের বাসিন্দা যোগেন্দ্রনাথ সেন ওরফে যোগেন সেন বিশ্বযুদ্ধে ইয়র্কশায়ার রেজিমেন্টে যোগ দিয়েছিলেন। এত বছর পরে তাঁর চশমা, নোটবই আর কোনও এক রহস্যময়ী নারীর কাছ থেকে উপহার পাওয়া একটা বই এগুলি চন্দনগরের একটি মিউজিয়ামের গুদামেই পড়ে ছিল। কিছুদিন আগে খোঁজ পাওয়া যায় ওই সরঞ্জামগুলির আর বেরিয়ে আসে মি. সেনের ইতিহাস।
লন্ডনের কিংস কলেজের অধ্যাপক শান্তনু দাস এসেছিলেন চন্দনগর মিউজিয়ামে। তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে গবেষণা করতে গিয়েই খুঁজে পান ন্দননগরের আদি বাসিন্দা যোগেন সেনের ইতিহাস। তারপরে খোঁজ পাওয়া যায় যে চন্দননগর মিউজিয়ামে রয়েছে যোগেন সেনের ব্যবহার করা বিভিন্ন সামগ্রী। কিউরেটর অরূপ গাঙ্গুলি বলছিলেন, ইয়র্কশায়ার রেজিমেন্টের সৈনিক যোগেন সেনের ব্যবহৃত জিনিসের মধ্যে রয়েছে ভাঙ্গা চশমা, পয়সার থলি, নোটবই, কয়েকটা ফিকে হয়ে যাওয়া ছবি, ব্যাজ, ছুরি প্রভৃতি। এই সামগ্রীগুলো একটা সময়ে মিউজিয়ামের গুদামঘরে পড়েছিল। সম্প্রতি সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। অধ্যাপক দাশ বলছিলেন, যোগেন সেনের ব্যবহৃত জিনিষগুলির মধ্যে একটা ছোট্ট বই রয়েছে, যেটা বেশ রহস্যজনক। কোনও এক নারী এই বইটা উপহার দিয়েছিলেন যোগেন সেনকে। কিন্তু তিনি কে, সেটা অজানা। মি. দাশ বলছিলেন ফরাসি উপনিবেশ চন্দনগর, যেখান থেকে ইয়র্কশায়ার, ৫ হাজার মাইলেরও বেশি পথ – এই দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে যোগেন সেন কেন যুদ্ধে যোগ দিতে গেলেন।
শান্তনু দাস বলছিলেন, “মি: সেন লিডসে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে গিয়েছিলেন। তার আগে তার দাদাও ইংল্যান্ড থেকে ডাক্তারি পাশ করে দেশে এসে রেলে চাকরি করতেন। তাই এই পরিবারটার সঙ্গে ব্রিটিশ সরকারের একটা যোগাযোগ ছিলই। যোগেন সেন পড়া শেষ করেন ১৯১৩ সালে, আর পরের বছর যুদ্ধ শুরু হয়।
“দেশে থাকলে তিনি যুদ্ধে যোগ দিতে পারতেন না – কারণ বাঙালিদের সেই সময়ে সৈনিকের কাজে নেওয়া হত না খুব একটা। মি. সেন তাঁর রেজিমেন্টের সবথেকে শিক্ষিত সৈনিক ছিলেন, তবে ভারতীয় হওয়ায় তিনি অফিসার হতে পারেন নি – প্রাইভেট হিসাবেই মারা যান।“
চন্দননগর মিউজিয়ামের ডিরেক্টর রিলা মুখার্জী বলছিলেন, যোগেন সেনের পরিবারের ইতিহাস এখনও অজানা। তিনি বলছিলেন, “আমরা কয়েকটা জিনিস পেয়েছি ঠিকই, কিন্তু এই পরিবার সম্বন্ধে কিছুই জানি না। বাড়ির দুই ছেলে বিলেতে পড়তে গেল – এঁদের অর্থের উৎস কী ছিল – এঁরা কি জমিদার বা অর্থবান ব্যবসায়ী ছিলেন – কেনই বা ফরাসি উপনিবেশে থেকেও ইংল্যান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ – কিছুই জানা যায় না।“
রিলা মুখার্জী বলছেন, “যোগেন সেনের বিধবা মায়ের কথাই আমরা শুধু জানি। তাঁর যুদ্ধের সময়কার বা লিডসের জীবন তো নিশ্চয়ই গবেষণার বিষয়, কিন্তু একই সঙ্গে ভারতে তাঁর পরিবার বা জীবন নিয়েও গবেষণা হওয়া উচিত।“
রিলা মুখার্জী বা শান্তনু দাস – দুজনেই বলেছেন, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অনেক ইতিহাস, অনেক তথ্যই ভারতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। বহু বাঙালীও সৈনিক হিসাবে অথবা অন্যান্য কাজে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে কোনও এক অদ্ভূত কারণে ভারতীয়রা সেইসব তথ্য সামনে তুলে নিয়ে আসতে অস্বস্তি বোধ করেন।
এছাড়াও তৎকালীন ফরাসী চন্দননগরের ২৬ জন বীর বিক্রমী যুবক ফরাসীদের হয়ে বাঙ্গালী রেজিমেন্ট রূপে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। এবিষয়ে ঢাকা থেকে প্রকাশিত “প্রথম আলো” পত্রিকায় শনিবার, ৩১শে অগাস্ট, ২০১৬ তারিখে প্রকাশিত হওয়া প্রতিবেদনটি হুবহু তুলে ধরা হল :-
ফরাসি সেনাবাহিনীতে বাঙালি ১৯১৬-এর প্রথমার্ধে চন্দননগর (পশ্চিম বাংলা) থেকে ২৬ জন বাঙালির একটি দল ফরাসি (মিত্রবাহিনীর শরিক দল) সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়। চন্দননগর ওই সময় ফ্রান্সের একটি ঔপনিবেশিক শহর ছিল। ব্রিটিশ ভারতে ফ্রান্স ও পর্তুগিজদের এ ধরনের আরও কয়েকটি ঔপনিবেশিক শহর ছিল। ফ্রান্স যুদ্ধের শুরুতেই বিভিন্ন উপনিবেশ থেকে যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় সৈন্য সংগ্রহ করা শুরু করে। ফ্রান্স ১৯১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর ভারত থেকে সৈন্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯১৬ সালের ২৯ জানুয়ারি ভারতে ফ্রান্সের গর্ভনর মঁসিয়ে এম এ মার্তিনো (M A Martineau) সৈন্য সংগ্রহের নীতিমালা প্রচার করেন। ৭ ফেব্রুয়ারি চন্দননগর শহরের বিভিন্ন অফিস-আদালত, বিদ্যালয় প্রভৃতি জায়গায় ফ্রান্সের সহায়তার জন্য বাঙালিদের আহ্বান করে দীর্ঘ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ ছিল:
ফ্রান্সের নিকট ভারতবাসী প্রভূত পরিমাণে ঋণী—এ বিপত্তিকালে ফ্রান্সের সহায়তা করা ভারতবাসী মাত্রেরই কর্তব্য—সে কর্তব্য যথাযথ পালন না করিলে বিশেষ প্রত্যবায়ের আশঙ্কা আছে; পরন্তু যে এই দুঃসময়ে ফ্রান্সের সহায়তা করিবে, ফ্রান্স তাহাকে কখনও বিস্মৃত হইবে না। ভারতবাসীকে ফ্রান্স আপন সন্তানের পার্শ্বে স্থান দিবে; অতএব তোমরা দলে দলে সৈন্যদলভুক্ত হও। [ভারতবর্ষ, জ্যৈষ্ঠ ১৩২৩]
এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে মোট ৪৩ জন বাঙালি তরুণ ফরাসি বাহিনীতে যোগদানের জন্য আবেদন করে। এর মধ্যে ১২ জন পরবর্তীকালে তাদের আবেদন প্রত্যাহার করে নেয়। বাকি ৩১ জনের মধ্যে ২৭ জন চিকিৎসা পরীক্ষায় উপস্থিত হয় এবং চারজন অনুপস্থিত থাকে। ২৭ জনের মধ্যে সাতজন চিকিৎসা পরীক্ষায় অনুপযুক্ত প্রমাণিত হয় এবং ২০ জন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়। ১৯১৬ সালের ১৬ এপ্রিল নির্বাচিত ২০ জন সৈনিকের প্রথম দল চন্দননগর থেকে পন্ডিচেরী (ফ্রান্সের অপর একটি ঔপনিবেশিক শহর) রওনা হয়। সৈনিকদের বিদায় উপলক্ষে ১৯১৬ সালের ১৬ এপ্রিল চন্দননগরে যে উন্মাদনার সৃষ্টি হয়েছিল, তা শ্রী হরিহর শেঠ নিম্নরূপে বর্ণনা করেছেন:
“সেদিন ইং ১৯১৬ সালের ১৬ই এপ্রিলের অপরাহ্ন। সে একটি স্মরণীয় দিন; চন্দননগরের পক্ষে ত বটেই, সারা বাঙ্গলার পক্ষেও তাহা চিরস্মরণীয়। সেই মাল্য চন্দন বিভূষিত, জনসাধারণের উল্লাস ও পুরমহিলাগণের শঙ্খ ধ্বনী মুখরিত, বিপুল জনসংখ্যার পুরোভাগে বিংশতি সংখ্যক বাঙ্গালী যুবকের ফরাসী ত্রিবর্ণ পতাকা হস্তে ফ্রান্সের উদ্দেশে রেলষ্টেশনে যাত্রা যিনি দেখিয়াছেন তিনি কখনও ভুলিতে পারিবেন না। সে দিন শহরের চাঞ্চল্য ও উল্লাস এবং সহস্র সহস্র নরনারীদের দ্বারা সৈন্যগণের সংবর্ধনা এবং শহরের ও দূরাগত জনগণের বিপুল সমাবেশ বর্ণনার অতীত। এই দলে ছিলেন—ফনীন্দ্রনাথ বসু, তারাপদ গুপ্ত, রমাপ্রসাদ ঘোষ, নরেন্দ্রনাথ সরকার, বিপিনবিহারী ঘোষ, হারাধন বক্সী, সিদ্ধেশ্বর মল্লিক (ঘোষাল), করুণাময় মুখার্জ্জি, জ্যোতিষচন্দ্র সিংহ, অমিতাভ ঘোষ, বলাইচন্দ্র নাথ, মনোরঞ্জন দাস, রাধাকিশোর সিংহ, সন্তোষচন্দ্র সরকার, রবীন্দ্রনাথ রায়, অনিলচন্দ্র ব্যানার্জ্জি, আশুতোষ ঘোষ, পাঁচকড়ি দাস, ব্রহ্মমোহন দত্ত ও হারুলচন্দ্র দাস।…প্রথম ভলেন্টিয়ারবৃন্দের বিদায় উপলক্ষে মাননীয় এডমিনিস্ট্রেটর মসিয়ে ভ্যাঁসা ও শ্রীযুক্ত চারুচন্দ্র রায় মহাশয় যে উদ্দীপনাপূর্ণ সময়োপযোগী সুন্দর বক্তৃতা দিয়াছিলেন, তাহা যাঁহারা শুনিয়াছিলেন, তাহা তাঁহাদের এখনও মনে আছে। সৈনিকদিগের বিদায় ও সম্বর্ধনা ব্যাপারে বাহিরের যে সকল বিখ্যাতনামা নেতা ও সম্ভ্রান্ত মহোদয়গণ যোগদান করিয়াছিলেন, তম্মধ্যে স্যার (এক্ষণে লর্ড) শ্রীযুক্ত এস পি সিংহ, শ্রীযুক্ত বি চক্রবর্ত্তী, ডাক্তার শ্রীযুক্ত এস কে মল্লিক, স্বর্গীয় পণ্ডিত সুরেশচন্দ্র সমাজপতি, শ্রীযুক্ত জে চৌধুরী রায়, শ্রীযুক্ত মহেন্দ্রনাথ মিত্র বাহাদুর, পণ্ডিত শ্রীযুক্ত সত্যচরণ শাস্ত্রী, কুমার মনীন্দ্রচন্দ্র সিংহ, শ্রীযুক্ত বি কে লাহিড়ী প্রভৃতিও ছিলেন”। [ভারতবর্ষ, পৌষ ১৩৩১]
এই দল কলকাতার হাওড়া রেলস্টেশন অতিক্রম করার সময় হাওড়াতেও বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দুই মাস পর দ্বিতীয় দলে আরও ১২ জন বাঙালিকে সৈনিক হিসেবে নির্বাচন করে চন্দননগর থেকে পন্ডিচেরী পাঠানো হয়। নির্বাচিত মোট ৩২ জনের মধ্যে চারজনের বিষয়ে পরবর্তী সময়ে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ আপত্তি জানালে তারা পন্ডিচেরী থেকে বাদ পড়ে যায়। এ ছাড়া আরও দুজন স্বাস্থ্যগত কারণে বাদ পড়ে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ২৬ জন পন্ডিচেরীতে প্রাথমিক সামরিক প্রশিক্ষণ লাভ করে। পন্ডিচেরীতে প্রশিক্ষণকালে চন্দননগরের সৈনিকদের বিষয়ে লেফটেন্যান্ট জিলে জানান:
পন্ডিচেরীতে আসিয়া অবধি তাহারা [বাঙালি সৈনিকগণ-মু. লু. হ.] যেরূপ যোগ্যতার সহিত কার্যাদি করিতেছে তাহাতে তাহাদের সুখ্যাতি না করিয়া থাকা যায় না। এই অল্প বয়স্ক যুবকগণ সকলেই সৎ। তাহাদের বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত কোন দোষ দেখি নাই। ইহারাই আমার সকল সেনাদলের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ সেনাদল (Champions) এই কথায় একটুমাত্র অত্যুক্তি নাই। [প্রবাসী, জ্যৈষ্ঠ ১৩২৪]
প্রাথমিক প্রশিক্ষণের পর ওই দল পন্ডিচেরী থেকে ফ্রান্স রওনা হয় এবং ফ্রান্সে পৌঁছে তারা আরও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। এরপর এদের বিভিন্ন ইউনিটের সঙ্গে রণক্ষেত্রে পাঠানো হয়। এরা ফ্রান্সের তুলঁ, বিজার্ত্ত, ট্রিপলিটন, আরগন, এলসেস্ ভার্দুন, সেন্ট্ মিহিয়েল্ এবং মরক্কো ও টিউনিসের বিভিন্ন রণক্ষেত্রে যোগ্যতার পরিচয় দেয়। এদের মধ্যে কেউ কেউ গোলন্দাজ বাহিনীতে যোগ দেয়। এরা প্রত্যেকেই বিভিন্ন যুদ্ধের স্মারক পদকে ভূষিত হয়। বিশেষ করে Victory, Interallie ও Volunteer পদকপ্রাপ্ত হয়। এদের মধ্যে একজন ফরাসি বীরত্বসূচক খেতাব ‘ক্রশ দ্য গ্যার’ (Croix de Geurre) পদকপ্রাপ্ত হয়। চন্দননগরের সৈনিকগণ ফরাসি সৈনিকদের মতো একই সমান বেতন ও ভাতা পেত।
চন্দননগরের সৈনিকগণ তিন বছর ফরাসি সেনাবাহিনীতে কর্মরত থেকে যুদ্ধ শেষে দেশে ফেরত আসে। অবশ্য চাকরিকালে সবাই একবার করে দেশে ছুটি কাটিয়ে যায়। ফ্রান্সে কর্মরত থাকা অবস্থায় অসুস্থতার কারণে মনোরঞ্জন দাস বিজার্ত্ত শহরে মৃত্যুবরণ করে, তাকে সেখানেই সৎকার করা হয়।
চন্দননগরে স্বেচ্ছাসৈনিক সংগ্রহ ও প্রেরণের জন্য মতিলাল রায়, তিনকড়ি নাথ বসু, মনীন্দ্রনাথ নায়েক, রূপলাল নন্দী, হরিহর শেঠ প্রমুখ বিশেষ ভূমিকা রাখেন। যুদ্ধে বীরত্বের পরিচয় দেবার জন্য ফরাসী সরকার চন্দননগরের গোন্দলপাড়া নিবাসী বলাই চাঁদ নাথকে “ওয়ারক্রস” উপাধিতে ভূষিত করে। পরে চন্দননগর থেকে এখানকার তৎকালীন অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ও দেশশ্রী হরিহর শেঠ মহাশয় তাঁকে নানাবিধ উপহার ও অর্থ প্রদান করেন।
তথ্যসূত্র :
— সংক্ষিপ্ত চন্দননগরের ইতিহাস – দেশশ্রী হরিহর শেঠ ।
— “প্রবাসী” পত্রিকার বিভিন্ন সংখ্যা ।
— চন্দননগর কানাইলাল বিদ্যামন্দির (ইংরেজি বিভাগ)-এর বিভিন্ন বার্ষিক পত্রিকা ।
— “প্রথম আলো” পত্রিকায় শনিবার, ৩১শে অগাস্ট, ২০১৬ তারিখে প্রকাশিত হওয়া প্রতিবেদন ।
— দিনপঞ্জিকায় চন্দননগর কানাইলাল বিদ্যামন্দির (১৮৬২-২০২২) – অনির্বাণ সাহা ও সুদীপ্ত পাত্র ।
— উইকিপিডিয়া ওয়েবপেজ ।
— “চন্দননগর হেরিটেজের” ডিরেক্টর শ্রীযুক্ত কল্যাণ চক্রবর্তী মহাশয়ের সাথে আলাপচারিতার মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য ।
— ঐতিহাসিক তথা প্রফেসর ডঃ বিশ্বনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়ের সাথে আলাপচারিতার মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য ।
— ইতিহাস অনুসন্ধানী শুভ্রাংশু কুমার রায় মহাশয়ের সাথে আলাপচারিতার মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য ।

