Homer এর দশটি কবিতা (c. 8th Century BCE)

হোমার (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৮ম শতাব্দী) হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন কিংবদন্তি কবি। পশ্চিমা সাহিত্যের দুটি অন্যতম প্রধান ভিত্তিস্তম্ভ—মহাকাব্য দ্য ইলিয়াড (The Iliad) এবং দ্য ওডিসি (The Odyssey) রচনার কৃতিত্ব ঐতিহ্যগতভাবে তাঁকেই দেওয়া হয়। ইলিয়াড-এর মূল বিষয়বস্তু ট্রয়ের যুদ্ধ, অ্যাকিলিসের ক্রোধ এবং বীরত্বগাথা; অন্যদিকে ওডিসি-তে বর্ণিত হয়েছে যুদ্ধের পর ওডিসিউসের দীর্ঘ ও কষ্টসাধ্য স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের গল্প।

এগুলো আধুনিক গীতিকবিতার মতো কোনো ছোট, স্বাধীন কবিতার সংকলন নয়। এগুলো মূলত ‘ড্যাক্টাইলিক হেক্সামিটার’ (এক ধরণের প্রাচীন ছন্দ) রীতিতে রচিত বিশাল আখ্যানমূলক মহাকাব্য, যার প্রতিটি ২৪টি খণ্ডে বা বইয়ে বিভক্ত। প্রাচীন গ্রিকদের আত্মপরিচয়, শিক্ষা এবং সংস্কৃতির মূল ভিত্তি ছিল এই ইলিয়াডওডিসি

আধুনিক অর্থে হোমারের নিজের লেখা ১০টি ছোট মৌলিক কবিতা পাওয়া যায় না। এর পরিবর্তে, তাঁর মহাকাব্যগুলো থেকে ১০টি চমৎকার কাব্যিক অনুচ্ছেদ বা অংশ এখানে তুলে ধরা হলো। এগুলো উচ্চমানের এবং নির্ভরযোগ্য অনুবাদ থেকে সংগৃহীত। সহজে পড়ার ও বোঝার সুবিধার্থে প্রতিটি অংশকে এখানে একটি স্বতন্ত্র কবিতা বা নাট্যরূপ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

দ্য ইলিয়াড (The Iliad) থেকে

১. অ্যাকিলিসের ক্রোধ (প্রথম খণ্ড – শুরুর আবাহন)

হে দেবী, গাও পেলিউসের পুত্র অ্যাকিলিসের সেই ক্রোধের গান,

সেই মারাত্মক ক্রোধ, যা গ্রিকদের জন্য বয়ে এনেছিল সীমাহীন দুঃখ-বেদনা,

যা বহু বীর যোদ্ধার সাহসী আত্মাকে পাঠিয়ে দিয়েছিল পাতালপুরী তথা হেডিসের রাজ্যে,

আর তাদের দেহগুলোকে ফেলে রেখেছিল কুকুর ও মাংসাশী পাখিদের আহার হিসেবে:

কারণ এভাবেই পূর্ণ হয়েছিল দেবরাজ জিউসের ইচ্ছা।

গাও সেই মুহূর্ত থেকে, যখন আতরেউসের পুত্র, মানবজাতির রাজা আগামেমনন,

তীব্র ক্রোধে ফেটে পড়ে মহান অ্যাকিলিসের থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন।

কোন দেবতা এই দুজনকে এমন বিবাদে জড়িয়েছিলেন?

লেটো ও জিউসের পুত্র অ্যাপোলো, রাজার ওপর রুষ্ট হয়ে,

সেনাবাহিনীর মধ্যে এক ভয়াবহ মহামারী নিয়ে এসেছিলেন…

২. ক্রাইসেসের আকুতি এবং অ্যাপোলোর মহামারী (প্রথম খণ্ড)

তিনিই এসেছিলেন গ্রিকদের সেই দ্রুতগামী জাহাজগুলোর কাছে,

নিজের কন্যাকে মুক্ত করতে, সাথে এনেছিলেন প্রচুর মুক্তিপণ,

হাতে ছিল দূর-ভেদী দেবতা অ্যাপোলোর ফিতায় জড়ানো একটি সোনার দণ্ড,

এবং তিনি গ্রিকদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়েছিলেন…

‘হে আতরেউসের পুত্রগণ, এবং হে ব্রোঞ্জের বর্মধারী গ্রিক যোদ্ধারা,

অলিম্পাসে বসবাসকারী দেবতারা আপনাদের প্রিয়ামের নগরী ধ্বংস করার শক্তি দিন…

কিন্তু দয়া করে এই মুক্তিপণ গ্রহণ করুন এবং আমার আদরের সন্তানকে মুক্ত করে দিন;

জিউসের পুত্র, দূর-ভেদী অ্যাপোলোর প্রতি আপনাদের শ্রদ্ধা প্রদর্শন করুন।’

৩. অ্যান্ড্রোম্যাকি ও অ্যাস্টিয়ানাক্সের কাছে হেক্টরের বিদায় (ষষ্ঠ খণ্ড)

হেক্টর হাসলেন এবং নীরবে তাঁর পুত্রের দিকে তাকিয়ে রইলেন,

কিন্তু অ্যান্ড্রোম্যাকি কাঁদতে কাঁদতে তাঁর পাশে এসে দাঁড়ালেন এবং তাঁর হাতটি ধরে বললেন:

‘স্বামী, তোমার এই সাহসের জেদই তোমার ধ্বংস ডেকে আনবে।

তোমার এই ছোট্ট ছেলে কিংবা তোমার এই হতভাগী স্ত্রীর প্রতি তোমার কোনো দয়া হচ্ছে না…’

উজ্জ্বল শিরস্ত্রাণ পরা হেক্টর উত্তর দিলেন:

‘প্রিয়তমা, আমিও এসব নিয়ে ভাবি, কিন্তু আমি যদি কাপুরুষের মতো যুদ্ধ থেকে লুকিয়ে থাকি,

তবে সমস্ত ট্রয়বাসী এবং তাদের স্ত্রীদের সামনে আমি লজ্জিত হব…’

তারপর তিনি তাঁর প্রিয় পুত্রকে চুম্বন করলেন, তাকে কোলে নিয়ে দুলিয়ে প্রার্থনা করলেন:

‘জিউস এবং অন্যান্য সমস্ত দেবতারা, আপনারা আশীর্বাদ করুন যাতে এই ছেলেটি আমার মতোই ট্রয়বাসীদের মধ্যে সেরা হতে পারে…’

এই বলে তিনি শিশুটিকে তাঁর প্রিয় স্ত্রীর কোলে ফিরিয়ে দিলেন,

আর অ্যান্ড্রোম্যাকি চোখের জলের মাঝেই একটু হেসে তাকে নিজের সুবাসিত বুকে জড়িয়ে নিলেন।

৪. সত্য ও প্রতারণা নিয়ে অ্যাকিলিস (নবম খণ্ড)

হেডিসের (পাতালপুরীর) প্রবেশদ্বারের মতোই আমার কাছে ঘৃণ্য

সেই মানুষ, যে মনে এক কথা লুকিয়ে রেখে মুখে অন্য কথা বলে।

৫. গৌরবময় মৃত্যু নিয়ে অ্যাকিলিস (অষ্টাদশ খণ্ড / প্রাসঙ্গিক অংশ)

আমি যেন কোনো গৌরব ছাড়া এবং লড়াই না করে মারা না যাই,

তার আগে আমি এমন এক মহান কীর্তি স্থাপন করতে চাই, যা ভবিষ্যতের মানুষেরা চিরকাল স্মরণ রাখবে।

দ্য ওডিসি (The Odyssey) থেকে

৬. বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী মানুষটি (প্রথম খণ্ড – শুরুর আবাহন)

হে কাব্যদেবী (মিউজ), আমাকে শোনাও সেই বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী মানুষের গল্প,

যিনি ট্রয়ের পবিত্র দুর্গ ধ্বংস করার পর দূর-দূরান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন।

তিনি কত মানুষের নগরী দেখেছেন, কত মানুষের আচার-ব্যবহার জেনেছেন।

সমুদ্রে কত শত দুঃখ-কষ্ট সহ্য করেছেন,

যখন তিনি নিজেকে এবং তাঁর বন্ধুদের জীবিত অবস্থায় স্বদেশে ফিরিয়ে আনার আপ্রাণ চেষ্টা করছিলেন।

তবুও নিজের প্রবল ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তিনি তাঁর বন্ধুদের বাঁচাতে পারেননি,

কারণ তারা ছিল নির্বোধ, তারা মূর্খের মতো সূর্যদেব হেলিয়সের পবিত্র গবাদিপশু খেয়ে ফেলেছিল,

তাই সেই দেবতা তাদের ঘরে ফেরার পথ চিরতরে বন্ধ করে দিয়েছিলেন।

৭. ওডিসিউস এবং সাইক্লপ্স – “কেউ না” (নবম খণ্ড)

‘সাইক্লপ্স, তুমি আমার নাম জানতে চেয়েছ, আমি তা বলছি: এরপর তোমার প্রতিশ্রুতি মতো আমাকে অতিথির উপহার দাও।

আমার নাম হলো কেউ না (Nobody)। আমার বাবা, মা এবং বন্ধুরা আমাকে “কেউ না” বলেই ডাকে।’

এগুলোই ছিল আমার কথা, আর তার নিষ্ঠুর উত্তর ছিল এই:

‘তাহলে আমার উপহার হলো এই—আমি “কেউ না”-কে তার বাকি সঙ্গীদের সবার শেষে খাব…’

যখন মদের নেশায় তার জ্ঞান হারিয়ে গেল… আমরা জলপাই কাঠের সেই ধারালো খুঁটিটি

তার চোখের ভেতর ঢুকিয়ে দিলাম, আর আমি আমার পুরো শরীরের ভর দিয়ে সেটাকে গোল করে ঘোরাতে লাগলাম…

জলপাই কাঠের খুঁটির আঘাতে তার চোখ থেকে হিসহিস শব্দ বের হতে লাগল। তারপর সে এক ভয়াবহ চিৎকার করে উঠল…

‘পলিমফেমাস, তোমার কী এমন ভয়ানক কষ্ট হচ্ছে…?

বন্ধুরা, “কেউ না” কোনো হিংস্রতা বা প্রতারণা করে আমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে।’

এ কথা শুনে অন্য সাইক্লপ্সরা উত্তর দিল: ‘তুমি যদি একাই থাকো, আর “কেউ না” যদি তোমার ওপর অত্যাচার না করে থাকে,

তবে এটা নিশ্চয়ই দেবরাজ জিউসের পাঠানো কোনো এড়ানো অসাধ্য রোগ…’

৮. মানুষের মূর্খতা ও দেবকূল (প্রথম খণ্ড)

দেবতারা বলেন, ‘মানুষের সব দুঃখ-কষ্ট নাকি আমাদের কাছ থেকেই আসে, হ্যাঁ,

কিন্তু তারা নিজেরাই নিজেদের বেপরোয়া আচরণের মাধ্যমে, ভাগ্যের চেয়েও বেশি নিজেদের কষ্ট বাড়িয়ে তোলে।’

৯. মরণশীল মানুষের দুর্বলতা (বিভিন্ন খণ্ড থেকে সংগৃহীত)

পৃথিবীতে যত জীব নিশ্বাস নেয় এবং চলাফেরা করে,

তাদের মধ্যে মানুষের চেয়ে দুর্বল আর কোনো প্রাণীর জন্ম হয়নি।

১০. চিরন্তন ভালোবাসা এবং ঘরে ফেরা (প্রথম ও ত্রয়োদশ খণ্ড)

এর চেয়ে চমৎকার আর কিছুই হতে পারে না, যখন একই মানসিকতার দুটি মানুষ

স্বামী-স্ত্রী হিসেবে একসাথে সংসার করে; যা তাদের শত্রুদের বিভ্রান্ত করে আর বন্ধুদের আনন্দ দেয়।

এই নির্বাচিত অংশগুলো হোমারের সেই মহিমান্বিত রূপ, আবেগ, বীরত্ব এবং মানবিক অন্তর্দৃষ্টি প্রকাশ করে যা তাঁকে চিরকাল প্রাসঙ্গিক করে রেখেছে।

হোমার (প্রায় ৮ম শতাব্দী খ্রিস্টপূর্ব)
প্রাচীন গ্রিক মহাকাব্যের অমর কবি
— ইলিয়াড ও ওডিসির রচয়িতা

হোমার প্রাচীন গ্রিসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও রহস্যময় মহাকাব্যিক কবি। তাঁকে পাশ্চাত্য সাহিত্যের জনক বলা হয়। তাঁর রচিত দুটি অমর মহাকাব্য — ইলিয়াডওডিসি — আজও বিশ্বসাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কীর্তি হিসেবে বিবেচিত। এই দুটি মহাকাব্য থেকেই ইউরোপীয় সাহিত্য, দর্শন, শিল্প ও সংস্কৃতির সূচনা ঘটেছে। হোমারের জীবন সম্পর্কে সঠিক ঐতিহাসিক তথ্য খুবই সীমিত। বেশিরভাগ তথ্যই প্রাচীন কিংবদন্তি ও মৌখিক ঐতিহ্য থেকে এসেছে।

জন্ম, সময়কাল ও স্থান

হোমারের জন্মকাল নিয়ে প্রাচীনকাল থেকেই বিতর্ক আছে। আধুনিক গবেষকদের মতে, তিনি খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম শতাব্দীতে (প্রায় ৭৫০–৭০০ খ্রিস্টপূর্ব) জীবিত ছিলেন। কিছু প্রাচীন সূত্রে (যেমন হেরোডোটাস) তাঁকে আরও আগের সময়ের বলা হয়েছে।

তাঁর জন্মস্থান সম্পর্কেও নিশ্চিত তথ্য নেই। প্রাচীন কিংবদন্তি অনুসারে, তিনি আয়োনিয়া অঞ্চলে (বর্তমান তুরস্কের পশ্চিম উপকূল) জন্মগ্রহণ করেছিলেন। সবচেয়ে জনপ্রিয় দাবি হলো — তিনি স্মির্না (বর্তমান ইজমির) বা কিওস দ্বীপের অধিবাসী ছিলেন। সাতটি শহর নিজেদের হোমারের জন্মস্থান বলে দাবি করত।

কিংবদন্তি ও জীবনকাহিনী

প্রাচীন গ্রিক ঐতিহ্যে হোমারকে অন্ধ কবি হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে। তিনি ছিলেন একজন ভ্রমণকারী র‍্যাপসোড (গায়ক-কথক)। তিনি গ্রামে-গঞ্জে, রাজসভায় ও উৎসবে গান গেয়ে মহাকাব্য শোনাতেন। অন্ধত্বের কারণে তাঁকে “অন্ধ গায়ক” বলা হতো।

প্রাচীন জীবনীগ্রন্থে (যেমন Pseudo-Herodotus-এর Life of Homer) তাঁর জীবনের নানা রঙিন কাহিনী আছে — দারিদ্র্য, ভ্রমণ, প্রতিভা ও দুর্ভাগ্যের গল্প। যদিও এগুলোর বেশিরভাগই ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত নয়, তবু এই কিংবদন্তিগুলো হোমারের চরিত্রকে অমর করে রেখেছে।

রচনাবলী: ইলিয়াড ও ওডিসি

ইলিয়াড
ট্রয় যুদ্ধের শেষ বছরের ঘটনা নিয়ে রচিত। এতে অ্যাকিলিসের ক্রোধ, যোদ্ধাদের বীরত্ব, দেবতাদের হস্তক্ষেপ ও যুদ্ধের ভয়াবহতা অপূর্বভাবে বর্ণিত হয়েছে। এটি পাশ্চাত্য সাহিত্যের প্রাচীনতম ও সবচেয়ে প্রভাবশালী মহাকাব্য।

ওডিসি
ট্রয় যুদ্ধের পর নায়ক ওডিসিউস (উলিসিস)-এর দশ বছরের দুঃসাহসিক সমুদ্রযাত্রা ও স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের কাহিনী। এতে স্যারেন, সাইক্লপস, সার্সি, ক্যালিপসো প্রভৃতি চরিত্রের মাধ্যমে মানুষের ধৈর্য, বুদ্ধি ও সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে।

এই দুটি মহাকাব্য মূলত মৌখিক ঐতিহ্য থেকে উদ্ভূত। দীর্ঘকাল ধরে গায়কেরা মুখস্থ করে গেয়ে আসতেন। পরে এগুলো লিখিত রূপ পায়।

হোমারীয় প্রশ্ন (Homeric Question)

আধুনিক যুগে একটি বড় বিতর্ক আছে — হোমার কি আসলেই একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তি ছিলেন? নাকি এই মহাকাব্যগুলো একাধিক কবি বা একটি সম্মিলিত ঐতিহ্যের ফসল?

অনেক পণ্ডিত (যেমন মার্টিন ওয়েস্ট) মনে করেন, “হোমার” নামটি পরবর্তীকালে সৃষ্ট একটি কাল্পনিক পরিচয়। আবার অনেকে বিশ্বাস করেন, একজন অসাধারণ প্রতিভাবান কবি এই মহাকাব্যগুলোকে সুসংহত রূপ দিয়েছিলেন। এই বিতর্ক আজও চলছে।

উত্তরাধিকার ও প্রভাব

হোমারের প্রভাব অপরিসীম।

  • গ্রিক দর্শন (প্লেটো, অ্যারিস্টটল) তাঁর মহাকাব্য থেকে অনুপ্রাণিত।
  • রোমান কবি ভার্জিল এনিড রচনা করেছেন হোমারের অনুকরণে।
  • আধুনিক সাহিত্য, থিয়েটার, চলচ্চিত্র (যেমন ট্রয়) পর্যন্ত তাঁর প্রভাব বিস্তৃত।
  • তাঁর মহাকাব্য মানব চরিত্রের গভীরতা, বীরত্ব, ভাগ্য ও দেবতাদের সম্পর্ক নিয়ে চিরন্তন প্রশ্ন তুলে ধরেছে।

হোমার শুধু একজন কবি নন, তিনি একটি সভ্যতার প্রতীক। তাঁর মহাকাব্য আজও পাঠককে মুগ্ধ করে, অনুপ্রাণিত করে এবং মানবজীবনের গভীর সত্য উন্মোচন করে। যদিও তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের অনেকটাই রহস্যে ঢাকা, তবু তাঁর সৃষ্টি আজও জীবন্ত।

“হোমার ছিলেন সেই কবি, যিনি শব্দ দিয়ে দেবতা ও মানুষের যুদ্ধ, ভালোবাসা ও যাত্রার অমর কাহিনী রচনা করেছিলেন।”

Comment