হোরেস (খ্রিস্টপূর্ব ৬৫–৮ অব্দ), যাঁর পুরো নাম কুইন্টাস হোরাটিয়াস ফ্ল্যাকাস, হলেন প্রাচীন রোমের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতিকবি। তিনি ব্যঙ্গাত্মক কবিতা (Satires) এবং পত্রকাব্য (Epistles) লিখলেও, তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত সৃষ্টি হলো ওডস (Odes)—বিভিন্ন গ্রিক ছন্দে রচিত চার খণ্ডের এক মার্জিত ও সুরময় কবিতার সংকলন। এই কবিতাগুলোতে ব্যক্তিগত চিন্তাভাবনা, দর্শন, প্রেম, বন্ধুত্ব, রাজনীতি এবং বর্তমান মুহূর্তকে উপভোগ করার এক অনন্য আনন্দ মিশে আছে। বিখ্যাত ল্যাটিন আপ্তবাক্য “কার্পে দিয়েম” (Carpe diem) বা “বর্তমানকে লুফে নাও”—প্রথমবার তিনিই ব্যবহার করেছিলেন।
হোরেসের সেই ১০টি বিখ্যাত ওড এবং সেগুলোর মূল কাব্যিক অংশের বাংলা অনুবাদ নিচে দেওয়া হলো:
১. ওডস ১.১১ – “কার্পে দিয়েম” (লিউকোনোই-এর প্রতি)
মূল ভাব: বর্তমান মুহূর্তকে উপভোগ করো; ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা কোরো না।
জিজ্ঞেস কোরো না, লিউকোনোই—আমাদের জানার সাধ্য নেই—
দেবতারা তোমার বা আমার ভাগ্যে কোন শেষ পরিণতি লিখে রেখেছেন।
ব্যাবিলনীয় গণনাকারীদের কাছে হাত পেতো না।
তার চেয়ে যা-ই আসুক না কেন, তা মেনে নেওয়াই কত উত্তম!
দেবরাজ জুপিটার আমাদের ভাগ্যে আরও অনেক শীতকাল লিখে রাখুন
কিংবা এটাই হোক শেষ শীত—যা তুস্কান সাগরের উত্তাল তরঙ্গকে আছড়ে ফেলছে
ওই পাথুরে সৈকতে; তুমি জ্ঞানী হও, পাত্র থেকে জল ছেঁকে নাও,
আর দীর্ঘ আশাকে ছোট গণ্ডির মধ্যে গুটিয়ে আনো।
আমরা যখন কথা বলছি, ঠিক তখনই ঈর্ষাতুর সময় পালিয়ে চলেছে।
আজকের দিনটিকে লুফে নাও (কার্পে দিয়েম), আগামীকালের ওপর যতটা সম্ভব কম ভরসা রেখে।
২. ওডস ১.৫ – “পীরহার প্রতি”
মূল ভাব: প্রেমের সুপ্ত বিপদ (এটি হোরেসের অন্যতম নিখুঁত সংক্ষিপ্ত ওড)।
কোন ছিপছিপে তরুণ, সুগন্ধি জলে নিজেকে সিক্ত করে,
এখন তোমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিচ্ছে, পীরহা, গোলাপের শয্যায় শুয়ে
কোন এক মনোরম গুহায়? কার জন্য তুমি আলতো করে বেঁধেছ
তোমার ওই সোনালী চুল, তোমার এই অতি সাধারণ কিন্তু মার্জিত রূপে?
৩. ওডস ১.৯ – “সোরাকতে”
মূল ভাব: শীতের এক অপরূপ দৃশ্য এবং যৌবন ও প্রেমকে উপভোগ করার আহ্বান।
তুমি কি দেখতে পাচ্ছো না, কীভাবে সোরাকতে পাহাড় গভীর বরফে চকচক করছে,
আর ক্লান্ত বনভূমি আর পারছে না সেই তুষারের ভার সইতে,
তীক্ষ্ণ ঠাণ্ডায় নদীগুলোর জল জমে বরফ হয়ে গেছে।
এই শীতকে দূর করো; উনুনের ওপর কাঠের গুঁড়িগুলো আরও উঁচুতে তুলে দাও
আর চার বছরের পুরোনো সেই সাবিন মদ্য ঢেলে দাও
আরও উদারভাবে, হে থালিয়ার্কাস, মাটির পাত্র থেকে।
৪. ওডস ১.৩৭ – “নুনক এস্ত বিবিন্দুম” (ক্লিওপেট্রার প্রতি)
মূল ভাব: ক্লিওপেট্রার পরাজয়ের পর রোমানদের বিজয়োৎসব।
এখন আমাদের পান করতেই হবে, এখন আমাদের মুক্ত চরণে
মাটির বুকে নাচতে হবে; হে আমার বন্ধুরা, এটাই তো সময়
দেবতাদের আসনগুলোকে সালিয়ান ভোজের ঐশ্বর্যে সাজিয়ে তোলার।
এর আগে আমাদের পূর্বপুরুষদের ভূগর্ভস্থ কক্ষ থেকে প্রাচীন ক্যাসুবান মদ্য
বের করাও এক ধরণের অপরাধ ছিল, যখন সেই রানী
আমাদের ক্যাপিটলের জন্য এক উন্মাদ ধ্বংসযজ্ঞের জাল বুনছিলেন…
৫. ওডস ২.৩ – “অ্যাকুয়াম মেমেন্তো”
মূল ভাব: সুবর্ণ মধ্যপন্থা বা ‘গোল্ডেন মিন’—সব বিষয়েই সংযম বজায় রাখা।
মনে রেখো, কঠিন সময়েও তোমার মনকে শান্ত রাখতে হবে,
ঠিক তেমনি ভালো সময়েও নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণে রেখো।
তুমি তোমার জীবন বিষণ্ণতার মাঝে কাটিয়ে দাও
কিংবা কোনো ছুটির দিনে নির্জন এক তৃণভূমিতে শুয়ে থাকো না কেন,
মনে রেখো যে মৃত্যুই হলো সবকিছুর শেষ সীমানা।
৬. ওডস ২.১০ – “রেক্টিয়াস ভিভেস”
মূল ভাব: সুবর্ণ মধ্যপন্থার আরেক রূপ (লিসিনিয়াসের প্রতি)।
তুমি আরও সঠিকভাবে বাঁচতে পারবে, লিসিনিয়াস, যদি তুমি সবসময়
উন্মুক্ত সমুদ্রের মাঝখানে পাড়ি না জমাও,
কিংবা ঝড়ের ভয়ে বিপজ্জনক তীরের খুব কাছাকাছি ঘেঁষেও না চলো।
যে মানুষ সুবর্ণ মধ্যপন্থাকে ভালোবাসে,
সে যেমন কোনো জরাজীর্ণ ভাঙা বাড়ির নোংরামো এড়িয়ে চলে,
তেমনি নিজের প্রজ্ঞায়, রাজপ্রাসাদের সাথে জড়িয়ে থাকা মানুষের হিংসা থেকেও দূরে থাকে।
৭. ওডস ৩.৩০ – “এক্সেইগি মনুমেন্তুম”
মূল ভাব: কবিতার মাধ্যমে অমরত্ব লাভ (হোরেসের কাব্যজীবনের অন্যতম বিখ্যাত শেষ উক্তি)।
আমি এমন এক স্মৃতিস্তম্ভ গড়ে তুলেছি যা ব্রোঞ্জের চেয়েও স্থায়ী
এবং রাজকীয় পিরামিডগুলোর চেয়েও উচ্চতায় মহান,
যাকে কোনো ক্ষতিকর বৃষ্টি কিংবা উত্তরের বুনো বাতাস
ধ্বংস করতে পারবে না, পারবে না কোনো অগণিত বছর
কিংবা সময়ের দ্রুত বয়ে চলা। আমি সম্পূর্ণ মরে যাব না…
৮. ওডস ১.১ – মেসেনাসের প্রতি উৎসর্গীকরণ
মূল ভাব: ভিন্ন ভিন্ন মানুষ ভিন্ন ভিন্ন গৌরব খোঁজে; হোরেস খোঁজেন কবিতার জগতে তাঁর খ্যাতি।
হে প্রাচীন রাজবংশের বংশধর মেসেনাস,
এমন কিছু মানুষ আছে যারা অলিম্পিকের ময়দানে রথের ধুলো ওড়াতেই আনন্দ পায়…
কৃষক ভালোবাসে তার ফসলের মাঠ, বণিক ভালোবাসে অতল সমুদ্র…
আর আমার কথা যদি বলো, তবে পণ্ডিতদের কপালে শোভা পাওয়া আইভি পাতার মুকুট
আমাকে স্বর্গের দেবতাদের পাশে স্থান দেয়; বনের শীতল ছায়া
এবং জলপরী (নিম্ফ) ও স্যাটায়ারদের হালকা নৃত্যের ছন্দ
আমাকে সাধারণ ভিড় থেকে আলাদা করে রাখে—যদি দেবী ইউটার্পি তাঁর
বাঁশিটি তুলে দিতে কার্পণ্য না করেন, আর পলিহিম্নিয়া যদি লেসবিয়ান লাইয়ারের সুর বাঁধতে অমত না করেন।
৯. ওডস ৩.১ – “ওদি প্রোফানুাম ভুলগুস”
মূল ভাব: “রোমান ওডস” সিরিজের সূচনা—যেখানে কবি নিজেকে কাব্যদেবী বা মিউজদের পুরোহিত হিসেবে দেখছেন।
আমি অপবিত্র ভিড়কে ঘৃণা করি এবং তাদের দূরে রাখি।
সবাই পরম শ্রদ্ধায় নীরবতা পালন করো! আমি, মিউজদের সেই পুরোহিত,
তরুণী ও বালকদের জন্য আজ এমন গান গাইছি যা আগে কেউ কখনো শোনেনি।
রাজাদের ক্ষমতা হয়তো তাঁদের নিজেদের প্রজাদের ওপর ভয়ানক হতে পারে,
কিন্তু দেবরাজ জুপিটার, যিনি নিজের এক ইশারায় দেবতা, মানুষ
এবং বিশাল সমুদ্রকে নিয়ন্ত্রণ করেন, তিনি আরও অনেক বেশি ভয়ানক ও শক্তিশালী।
১০. ওডস ৪.৭ – “ডিফুগেরে নিভেস”
মূল ভাব: বসন্তের আগমন এবং জীবনের ক্ষণস্থায়ী রূপ (হোরেসের শেষ বয়সের অন্যতম সুন্দর ওড)।
বরফ সব গলে গেছে; এখন মাঠে মাঠে ঘাস ফিরে আসছে
আর গাছের ডালে ডালে নতুন পাতা। পৃথিবী আবার তার রূপ বদলাচ্ছে,
আর নদীগুলো এখন শান্ত হয়ে তাদের দুই কূলের মাঝখান দিয়ে বয়ে চলেছে।
তিন গ্রেস দেবী তাঁদের যমজ বোন ও জলপরীদের সাথে নিয়ে
নগ্ন চরণে অবলীলায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এই বয়ে চলা বছর আর প্রতিটা মুহূর্ত—যা সুন্দর দিনগুলোকে
কেড়ে নেয়, তা আমাদের সতর্ক করে দেয় যেন আমরা এই জীবনের ওপারে আর কোনো আশা না রাখি।
এই ১০টি ওড হোরেসের প্রতিভার সেরা নিদর্শন: তিনি একাধারে রসিক, দার্শনিক, সুরময় এবং গভীরভাবে মানবিক। সাধারণ পর্যবেক্ষণ ও চিরন্তন সত্যকে অবিস্মরণীয় কবিতায় রূপ দেওয়ার এক অসাধারণ ক্ষমতা তাঁর ছিল।
হোরেস (৬৫–৮ খ্রিস্টপূর্ব)
রোমান গীতিকাব্যের শীর্ষস্থানীয় কবি – “কার্পে দিয়েম”-এর প্রবক্তা
কুইন্টাস হোরাসিয়াস ফ্লাক্কাস (Quintus Horatius Flaccus), যিনি ইংরেজিতে হোরেস (Horace) নামে পরিচিত, ছিলেন প্রাচীন রোমের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতিকাব্য রচয়িতা। তিনি তাঁর কবিতায় বন্ধুত্ব, প্রেম, জীবনের আনন্দ, মৃত্যুর অনিবার্যতা এবং সুখী জীবনযাপনের দর্শন তুলে ধরেছেন। তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত উক্তি “কার্পে দিয়েম” (Carpe diem) — অর্থাৎ “দিনটিকে আঁকড়ে ধরো” — আজও বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়।
হোরেস ছিলেন ভার্জিলের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং সম্রাট অগাস্টাসের যুগের (Augustan Age) অন্যতম প্রধান কবি। তাঁর কবিতা ব্যঙ্গাত্মক, দার্শনিক এবং অত্যন্ত পরিশীলিত।
জন্ম ও প্রারম্ভিক জীবন
হোরেস জন্মগ্রহণ করেন খ্রিস্টপূর্ব ৬৫ সালের ৮ ডিসেম্বর দক্ষিণ ইতালির ভেনুসিয়া (Venusia) শহরে। তাঁর বাবা ছিলেন একজন মুক্তিপ্রাপ্ত দাস (freedman)। বাবা ছিলেন নিলামদার বা কর সংগ্রাহক। বাবার কঠোর পরিশ্রম ও সঞ্চয়ের ফলে হোরেস উন্নত শিক্ষা লাভ করতে পারেন।
শৈশবে তিনি রোমে পড়াশোনা করেন। পরে এথেন্সে গিয়ে দর্শন ও সাহিত্য অধ্যয়ন করেন। এথেন্সে থাকাকালীন তিনি জুলিয়াস সিজারের হত্যাকারীদের (ব্রুটাস ও ক্যাসিয়াস) পক্ষ নিয়ে যুদ্ধে অংশ নেন।
যুদ্ধ ও প্রথম দিক
খ্রিস্টপূর্ব ৪২ সালে ফিলিপ্পাই যুদ্ধে (Battle of Philippi) হোরেস ব্রুটাসের বাহিনীতে যুদ্ধ করেন। যুদ্ধে তাঁর পক্ষ পরাজিত হয়। এরপর তিনি রোমে ফিরে আসেন। সম্পত্তি হারানোর পর তিনি লেখালেখি শুরু করেন।
প্রথমদিকে তিনি স্যাটায়ার্স (Satires) রচনা করেন — যা সমাজের ত্রুটি-বিচ্যুতি নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক কবিতা। এর মাধ্যমে তিনি ধীরে ধীরে খ্যাতি অর্জন করেন।
মেসিনাসের পৃষ্ঠপোষকতা ও বন্ধুত্ব
হোরেসের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ঘটে যখন তিনি গাইয়াস মেসিনাস (Gaius Maecenas)-এর সঙ্গে পরিচিত হন। মেসিনাস ছিলেন সম্রাট অগাস্টাসের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও শিল্প-সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষক।
মেসিনাস হোরেসকে একটি ছোট খামারবাড়ি উপহার দেন (সাবাইন ফার্ম)। এখানে হোরেস শান্তিতে কবিতা রচনা করতেন। তিনি ভার্জিলের সঙ্গেও গভীর বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন।
প্রধান রচনাবলী
হোরেসের প্রধান রচনাগুলো হলো:
- স্যাটায়ার্স (Satires): সমাজ ও মানুষের দোষ-ত্রুটি নিয়ে ব্যঙ্গ।
- এপোডস (Epodes): ছোট ছোট কবিতা, প্রায়শই রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত।
- ওডস (Odes): চার খণ্ড — এগুলোই তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত গীতিকাব্য। এখানেই “কার্পে দিয়েম”, প্রেম, বন্ধুত্ব ও জীবনের দর্শন প্রকাশ পেয়েছে।
- এপিসলস (Epistles): চিঠির আকারে কবিতা। এর মধ্যে আর্স পোয়েটিকা (Ars Poetica) সবচেয়ে বিখ্যাত — যেখানে তিনি কাব্য রচনার নিয়ম ও আদর্শ বর্ণনা করেছেন।
- কারমেন সেকুলারে (Carmen Saeculare): অগাস্টাসের নির্দেশে রচিত একটি ধর্মীয় স্তোত্র।
দর্শন: কার্পে দিয়েম ও সোনালি মধ্যপথ
হোরেসের কবিতায় দুটি মূল দর্শন প্রকাশ পেয়েছে:
- কার্পে দিয়েম (Carpe diem) — “দিনটিকে আঁকড়ে ধরো”। অর্থাৎ, ভবিষ্যতের চিন্তা না করে বর্তমান মুহূর্তকে উপভোগ করো।
- অরিয়া মেডিওক্রিটাস (Aurea mediocritas) — “সোনালি মধ্যপথ”। অতিরিক্ত সম্পদ বা দারিদ্র্য নয়, সুষম জীবনযাপনই প্রকৃত সুখ।
তিনি বন্ধুত্ব, সরল জীবন, প্রকৃতি ও আত্মসংযমের গুণগান গেয়েছেন।
মৃত্যু ও উত্তরাধিকার
হোরেস মারা যান খ্রিস্টপূর্ব ৮ সালের ২৭ নভেম্বর রোমে। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁকে রোমান সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে স্মরণ করা হয়।
মধ্যযুগ ও রেনেসাঁ যুগে তাঁর কবিতা ব্যাপকভাবে পঠিত হয়। আজও “কার্পে দিয়েম” উক্তিটি বিশ্বসাহিত্য ও জীবনদর্শনের প্রতীক হয়ে আছে।
হোরেস ছিলেন একজন মানবতাবাদী কবি। তিনি যুদ্ধ, রাজনীতি ও বিলাসিতার মাঝেও সরলতা, বন্ধুত্ব ও বর্তমান মুহূর্তের আনন্দ খুঁজে পেয়েছিলেন। তাঁর কবিতা আজও পাঠককে শেখায় — জীবন সংক্ষিপ্ত, তাই প্রতিটি দিনকে পূর্ণভাবে বাঁচতে হবে।
“কার্পে দিয়েম — দিনটিকে আঁকড়ে ধরো, কালকে বিশ্বাস করো না।”
— হোরেস