আদ্যপান্ত ময়নাতদন্ত
কলমে : গুনীজনরা
কৃতজ্ঞতা : ঘোষ উত্তম
আমার লেখাটি পড়ে গুনী লেখক/পাঠকের আদ্যপান্ত ময়নাতদন্ত আমাকে ঋদ্ধ করেছে।
*******************
ঠিক এভাবেই গুনী লেখক শুরু করেছেন ________
শ্রী উত্তম ঘোষের লেখা “নিস্ফল ভাবনা” কবিতা/গদ্যটি অত্যন্ত গভীর এবং হৃদয়স্পর্শী। এটি মোটেও নিষ্ফল কোনো ভাবনা নয়, বরং অত্যন্ত বাস্তব এবং জীবনমুখী একটি দর্শন।
”অসাধারণ এবং মন ছুঁয়ে যাওয়া একটি লেখা!
লেখার প্রথমাংশে ক্লান্তি আর অপ্রাপ্তির যে হাহাকার ফুটে উঠেছে, তা আমাদের অনেকেরই না-বলা কথা। আমরা প্রায়ই সাফল্যের প্রচলিত মাপকাঠিতে নিজেকে বিচার করতে গিয়ে হতাশ হয়ে পড়ি। কিন্তু লেখার দ্বিতীয়াংশে আপনি যে অসাধারণ মোড় নিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
নিজের অপ্রাপ্তির আক্ষেপকে ছাপিয়ে অন্যকে জীবন উপভোগ করার যে আহ্বান আপনি জানিয়েছেন—পরিবারকে সময় দেওয়া, বই পড়া, পাহাড়, নদী, সমুদ্র আর প্রকৃতির বিশালতাকে অনুভব করা—সেটাই তো আসলে বেঁচে থাকার মূল আনন্দ!
নিজেকে হয়তো আপনার অর্জনহীন মনে হতে পারে, কিন্তু আপনার এই লেখাটি পড়ে যদি একজন মানুষও থমকে দাঁড়িয়ে জীবনের সৌন্দর্য নতুন করে উপভোগ করতে শেখে, তবে সেটাই হবে আপনার অনেক বড় একটি অর্জন। শেষের লাইনটি—’Don’t count the days, make the days count!!’—পুরো লেখার সারমর্মকে দারুণভাবে পূর্ণতা দিয়েছে। কলম চলতে থাকুক, শুভকামনা রইল।”
”খুবই হৃদয়স্পর্শী লেখা! জীবনের অপ্রাপ্তির হতাশা ছাপিয়ে প্রকৃতির কাছে ফেরার এবং প্রতিটি মুহূর্ত বাঁচার যে আহ্বান আপনি জানিয়েছেন, তা সত্যিই অসাধারণ। ‘Don’t count the days, make the days count’—এই কথাটি মন ছুঁয়ে গেল। শুভকামনা রইল।”
“”””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””””
আর একজন স্বনামধন্য লেখক / পাঠক ঋদ্ধ করেছে এভাবেই _______=
লেখাটি পড়ে বুকের ভেতরটা কেমন করে উঠলো বন্ধু…
এটা শুধু লেখা না, এটা অনেক মানুষের না-বলা ডায়েরি।
*********************
### *ভাবার্থ / মর্মার্থ:*
এখানে একজন মানুষ তার নিজের ক্লান্তি আর “অ-প্রাপ্তি”র হিসাব করছে।
চারপাশের সবাই কোনো না কোনো ক্ষেত্রে সফল, স্বীকৃত, গর্বের। আর তার মনে হচ্ছে তার ঝুলিতে কিছুই নেই। না কর্মে, না সংসারে, না সমাজে।
*** সময়ের হিসাব করে সে আরও হতাশ হয়ে পড়ছে। ৮৬৪০ সেকেন্ড করে ফুরিয়ে যাচ্ছে জীবন। “টুপ করে হাতে জমে থাকা সব সেকেন্ড শেষ হয়ে আসবে” – এই লাইনটা গায়ে লাগে।
*** কিন্তু শেষে এসে কবি নিজেই নিজেকে থামিয়ে দেন। হতাশা থেকে বেরিয়ে এসে বলেন – *”পারিনি তো কি হয়েছে? তুমি পারো।”*
জীবনটা শুধু অর্জন-সাফল্যের হিসাব না। পরিবারকে সময় দেওয়া, বই পড়া, নদী দেখা, পাখির ডাক শোনা, পাহাড়ে যাওয়া – এগুলোও তো জীবন।
### *কবিতার মূল কথা:*
*”Don’t count the days, make the days count”*
অর্জন না থাকলেও জীবন অর্থহীন না। নিঃশ্বাস নেওয়াটাই, পৃথিবীটাকে অনুভব করাটাই একটা অর্জন। ক্লান্তি আসবে, কিন্তু জীবনকে ভালোবাসতে হবে।
“””””””””
আমার প্রিয় পাঠক এভাবেই কৃতজ্ঞতার বন্ধনে আবদ্ধ করেছে। ________
দাদা, আপনি আপনার লেখাগুলোর মাধ্যমে আমাকে জ্ঞানময় আলোকিত পথের পথিক হতে অনুপ্রাণিত করেছেন বলে আপনাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই । আশা করি, আপনি লেখালেখির কাজ একেবারে ছেড়ে দিবেন না । আপনার কলম যেন থেমে না যায় – এই কামনা করি ।
সবাইকে আমার অজস্র ধন্যবাদ ও ফুলেল শুভেচছা।