সাহিত্য ও সাহিত্যিক

লেই হান্ট (James Henry Leigh Hunt, ১৯ অক্টোবর ১৭৮৪ – ২৮ আগস্ট ১৮৫৯)

লেই হান্ট সম্পর্কে ১০টি সংক্ষিপ্ত নোট

১.
লেই হান্ট ১৭৮৪ সালে লন্ডনের সাউথগেটে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা ছিলেন আমেরিকান লয়ালিস্ট আইনজীবী। শৈশবে ক্রাইস্টস হসপিটাল স্কুলে পড়াশোনা করেন। বক্তৃতাজনিত সমস্যা থাকলেও তিনি ছোটবেলা থেকেই কবিতা লিখতেন। ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ Juvenilia। এই সময় থেকেই তাঁর সাহিত্যিক ও সাংবাদিকতার জীবন শুরু হয়। পরবর্তীকালে তিনি রোমান্টিক যুগের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন।

২.
১৮০৮ সালে ভাই জন হান্টের সাথে লেই হান্ট প্রতিষ্ঠা করেন The Examiner নামক স্বাধীন র‍্যাডিক্যাল পত্রিকা। এটি রাজনৈতিক সংস্কার ও বাকস্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়ায়। হান্ট এর সম্পাদক হিসেবে সাহসী সমালোচনা লিখতেন। পত্রিকাটি শীঘ্রই উদারপন্থী বুদ্ধিজীবীদের প্রিয় হয়ে ওঠে। এখান থেকেই তিনি কিটস ও শেলির মতো তরুণ কবিদের প্রথম মঞ্চ দেন। The Examiner তাঁর রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক প্রভাবের প্রধান মাধ্যম ছিল।

৩.
১৮১৩ সালে প্রিন্স রিজেন্টকে নিয়ে লেখা একটি সমালোচনামূলক প্রবন্ধের জন্য লেই হান্টকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সারে জেলে থাকাকালীন তিনি সেলকে সাহিত্যিক আশ্রয়ে পরিণত করেন। বায়রন, ল্যাম্বসহ অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি তাঁকে দেখতে আসতেন। এই কারাবাস তাঁকে উদারপন্থীদের কাছে নায়ক করে তোলে। কারাগার থেকে বেরিয়ে তিনি আরও শক্তিশালী হয়ে সাহিত্য ও রাজনীতিতে ফিরে আসেন।

৪.
লেই হান্ট ছিলেন “ককনি স্কুল” নামক সাহিত্যিক গোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব। রক্ষণশীল পত্রিকা Blackwood’s Magazine তাঁকে ও তাঁর বন্ধুদের এই নামে উপহাস করত। এই গোষ্ঠীতে ছিলেন কিটস, শেলি, হ্যাজলিট প্রমুখ। হান্টের স্বাভাবিক ভাষা ও রাজনৈতিক উদারতা ছিল এই “স্কুল” এর বৈশিষ্ট্য। আজ এই পরিচয় গর্বের — এটি ছিল মধ্যবিত্ত লন্ডনের সৃজনশীলতা ও সংস্কারের প্রতীক।

৫.
লেই হান্ট ১৮১৬ সালে The Examiner-এ “Young Poets” শীর্ষক প্রবন্ধে জন কিটসের কবিতা প্রথম প্রকাশ করেন। তিনি কিটসকে উৎসাহ দেন এবং হ্যাম্পস্টেডের আড্ডায় নিয়ে আসেন। কিটসের প্রতিভা চিনতে পেরে হান্ট তাঁকে সাহিত্যিক মহলে পরিচিত করান। কিটস পরবর্তীকালে হান্টকে শ্রদ্ধা করতেন। হান্টের এই সমর্থন কিটসের প্রথমদিকের কাব্যজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

৬.
পার্সি বিশ শেলির সাথে লেই হান্টের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল। শেলি হান্টকে আর্থিক সাহায্য দিয়েছিলেন এবং ১৮২২ সালে ইতালিতে The Liberal পত্রিকা চালু করার পরিকল্পনা করেন। হান্ট শেলির প্রতিভার প্রবল সমর্থক ছিলেন। শেলির অকালমৃত্যুর পরও হান্ট তাঁর স্মৃতি রক্ষা করেন। হান্টের রাজনৈতিক মহল শেলিকে নিরাপদ আশ্রয় ও প্রচারের সুযোগ দিয়েছিল।

৭.
লেই হান্টের সবচেয়ে আলোচিত কাব্যগ্রন্থ The Story of Rimini (১৮১৬)। এটি ডান্তের কাহিনি অবলম্বনে রচিত আশাবাদী আখ্যানকবিতা। তাঁর গদ্যশৈলী ছিল স্বাভাবিক ও কথোপকথনমূলক। The Indicator পত্রিকায় তিনি অনেক সুন্দর প্রবন্ধ লেখেন। হান্ট কল্পনা ও প্রকৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ করতেন। তাঁর লেখা রোমান্টিক কবিতার নতুন ধারা তৈরি করতে সাহায্য করে।

৮.
হ্যাম্পস্টেডে লেই হান্টের বাড়িতে নিয়মিত সাহিত্যিক আড্ডা বসত। এখানে কিটস, শেলি, হ্যাজলিট, বেনজামিন হেডন প্রমুখ মিলিত হতেন। এই মহল থেকেই দ্বিতীয় প্রজন্মের রোমান্টিক কবিদের অনেক কাজের অনুপ্রেরণা এসেছে। হান্টের এই রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক বৃত্ত কিটস ও শেলির মতো প্রতিভাদের লালন করেছে। এটি ছিল রোমান্টিক আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

৯.
জীবনের শেষের দিকে লেই হান্ট আর্থিক সংকটে ভুগেছেন। তবু তিনি লেখালেখি চালিয়ে যান। ১৮৫০ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর বিখ্যাত আত্মজীবনী Autobiography of Leigh Hunt। ১৮৪৭ সালে তিনি সরকারি পেনশন পান। ১৮৫৯ সালে ৭৪ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর জীবন ছিল সংগ্রাম ও আদর্শবাদের মিশ্রণ।

১০.
লেই হান্ট আজ স্মরণীয় তাঁর সম্পাদকীয় দূরদর্শিতা ও কিটস-শেলিকে প্রথম মঞ্চ দেওয়ার জন্য। তিনি “ককনি স্কুল” পরিচয়কে গর্বের সাথে ধারণ করেছিলেন। তাঁর রাজনৈতিক মহল রোমান্টিক আন্দোলনকে শুধু কাব্যিক নয়, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবেও সমৃদ্ধ করেছে। হান্ট ছিলেন সেই সেতু যিনি তরুণ প্রতিভাদের পথ প্রশস্ত করেছিলেন।


— ককনি স্কুলের কবি যাঁর রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক মহল জন কিটস ও পার্সি বিশ শেলিকে লালন-পালন করেছিল।

লেই হান্ট ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর ইংল্যান্ডের অন্যতম প্রভাবশালী প্রবন্ধকার, কবি, সাংবাদিক ও সমালোচক। তিনি ছিলেন রোমান্টিক যুগের দ্বিতীয় প্রজন্মের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব। তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা The Examiner এবং হ্যাম্পস্টেডের সাহিত্যিক-রাজনৈতিক মহল কিটস ও শেলির মতো প্রতিভাবান কবিদের প্রথম পরিচিতি ও সমর্থন দিয়েছিল। রক্ষণশীল সমালোচকরা তাঁকে ও তাঁর বন্ধুদের “ককনি স্কুল” (Cockney School) বলে উপহাস করলেও, হান্ট সেই পরিচয়কে গ্রহণ করে স্বাধীনতা, কল্পনা ও সামাজিক সংস্কারের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁর জীবন ছিল সংগ্রাম, কারাবাস, আর্থিক দুর্দশা ও অটুট আদর্শবাদের মিশ্রণ।

জন্ম, পরিবার ও প্রারম্ভিক জীবন

জেমস হেনরি লেই হান্ট ১৯ অক্টোবর ১৭৮৪ সালে লন্ডনের সাউথগেটে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আইজ্যাক হান্ট ছিলেন ফিলাডেলফিয়ার একজন আইনজীবী ও প্রচারক, যিনি আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় লয়ালিস্ট (রাজতন্ত্রপন্থী) হওয়ায় ইংল্যান্ডে পালিয়ে আসেন। মা মেরি শেওয়েল ছিলেন একজন ধনী বণিকের কন্যা ও কোয়েকার ধর্মাবলম্বী। পিতা ডিউক অব চ্যান্ডোসের অধীনে টিউটর হিসেবে কাজ করতেন।

শৈশবে হান্টের বক্তৃতাজনিত সমস্যা ছিল, যা পরে সারিয়ে ওঠে। ১৭৯১ থেকে ১৭৯৯ সাল পর্যন্ত তিনি লন্ডনের বিখ্যাত ক্রাইস্টস হসপিটাল স্কুলে পড়াশোনা করেন। সেখানে তিনি থমাস বার্নসের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন। ছাত্রজীবনে তিনি থমাস গ্রে ও উইলিয়াম কলিন্সের কবিতা পড়ে অনুপ্রাণিত হন এবং নিজে কবিতা লিখতে শুরু করেন।

১৮০১ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে তাঁর প্রথম কবিতার সংকলন Juvenilia প্রকাশিত হয়। এটি তাঁকে সাহিত্যিক ও নাট্যজগতের সাথে পরিচিত করে তোলে। প্রথমদিকে তিনি যুদ্ধ দপ্তরে (War Office) ক্লার্ক হিসেবে চাকরি করতেন, কিন্তু সাহিত্য ও সাংবাদিকতার প্রতি আকর্ষণ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নেয়।

সাংবাদিকতা ও The Examiner-এর যুগ

১৮০৮ সালে ভাই জন হান্টের সাথে মিলে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন The Examiner — একটি স্বাধীন, র‍্যাডিক্যাল সাপ্তাহিক পত্রিকা। এটি রাজনৈতিক সংস্কার, বাকস্বাধীনতা ও সামাজিক ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ায়। হান্ট এর সম্পাদক হিসেবে “স্বাদের নীতি” অনুসরণ করে লিখতেন। পত্রিকাটি শীঘ্রই লন্ডনের উদারপন্থী বুদ্ধিজীবীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

১৮১০-১৮১২ সালে তিনি The Reflector নামে একটি ত্রৈমাসিক পত্রিকাও সম্পাদনা করেন। এতে তাঁর বিখ্যাত ব্যঙ্গকবিতা The Feast of the Poets প্রকাশিত হয়, যা কিছু প্রতিষ্ঠিত কবিদের (যেমন উইলিয়াম গিফোর্ড) ক্ষুব্ধ করে।

কারাবাস ও রাজনৈতিক সংগ্রাম (১৮১৩–১৮১৫)

১৮১২-১৮১৩ সালে The Examiner-এ প্রিন্স রিজেন্ট (পরবর্তীকালে জর্জ চতুর্থ) সম্পর্কে একটি তীক্ষ্ণ সমালোচনামূলক লেখা (“corpulent Adonis”) প্রকাশের অভিযোগে হান্ট, তাঁর ভাই জন ও রবার্টকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সারে কাউন্টি জেলে (Surrey County Gaol) থাকাকালীন হান্ট তাঁর সেলকে এক ধরনের সাহিত্যিক আশ্রয়ে পরিণত করেন — দেওয়ালে রঙিন কাগজ লাগান, বই রাখেন, সংগীত ও খেলাধুলা করেন।

লর্ড বায়রন, চার্লস ল্যাম্ব, টমাস মুর, জেরেমি বেন্থাম প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা তাঁকে দেখতে আসতেন। এই কারাবাস তাঁকে উদারপন্থীদের কাছে নায়ক করে তোলে এবং তাঁর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও দৃঢ় করে।

ককনি স্কুল ও সাহিত্যিক অবদান

হান্টের সাহিত্যিক শৈলী ছিল স্বাভাবিক, কথোপকথনমূলক ও আশাবাদী। তিনি আলেকজান্ডার পোপের শক্ত কাপলেটের বদলে চসার-ড্রাইডেন ঐতিহ্যের নমনীয় কাপলেট পছন্দ করতেন। ১৮১৬ সালে প্রকাশিত তাঁর আখ্যানকবিতা The Story of Rimini (ডান্তের ইনফার্নো অবলম্বনে) তাঁর সবচেয়ে আলোচিত কাজগুলোর একটি।

১৮১৭ সালে Blackwood’s Edinburgh Magazine তাঁকে ও তাঁর বন্ধুদের “ককনি স্কুল অব পোয়েট্রি” বলে উপহাস শুরু করে। এই গোষ্ঠীর মধ্যে ছিলেন জন কিটস, পার্সি বিশ শেলি, উইলিয়াম হ্যাজলিট, চার্লস ল্যাম্ব প্রমুখ। রক্ষণশীল সমালোচকরা তাঁদের লন্ডনের মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত পটভূমি, স্বাভাবিক ভাষা ও রাজনৈতিক উদারতাকে আক্রমণ করতেন। হান্ট এই আক্রমণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাঁর মহলকে রক্ষা করেন।

কিটস ও শেলিকে লালন-পালন

হান্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল জন কিটস ও পার্সি বিশ শেলির প্রতিভা আবিষ্কার ও প্রচার। ১৮১৬ সালে The Examiner-এ তিনি “Young Poets” শীর্ষক প্রবন্ধে কিটস ও শেলির কবিতা প্রথম প্রকাশ করেন। হ্যাম্পস্টেডে তাঁর বাড়িতে নিয়মিত সাহিত্যিক আড্ডা বসত, যেখানে কিটস, শেলি, হ্যাজলিট, বেনজামিন হেডন প্রমুখ আসতেন।

শেলি হান্টকে আর্থিকভাবে সাহায্য করেছিলেন এবং ১৮২২ সালে ইতালিতে The Liberal নামে একটি নতুন পত্রিকা চালু করার পরিকল্পনা করেন (বায়রনের সাথে)। যদিও শেলির অকালমৃত্যুর পর এটি বেশিদিন টেকেনি। হান্ট শেলির প্রতিভার প্রবল সমর্থক ছিলেন এবং কিটসের প্রথমদিকের কবিতাগুলোকেও উৎসাহ দিয়েছিলেন।

অন্যান্য সম্পর্ক ও ব্যক্তিগত জীবন

হান্টের ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের মধ্যে ছিলেন লর্ড বায়রন (যিনি কারাগারে তাঁকে দেখতে এসেছিলেন), উইলিয়াম হ্যাজলিট (যাঁর সাথে The Round Table প্রবন্ধ লিখেছিলেন), চার্লস ল্যাম্ব ও পরবর্তীকালে টমাস কার্লাইল।

১৮০৯ সালে তিনি মেরিয়ান কেন্টকে বিয়ে করেন। তাঁদের দশটি সন্তান ছিল। পরিবারটি সারাজীবন আর্থিক সংকটে ভুগেছে। মেরিয়ান ১৮৫৭ সালে মারা যান। হান্টের বোন-শালী এলিজাবেথ কেন্ট তাঁর সাহায্যকারী ও লেখালেখির সহযোগী ছিলেন।

পরবর্তী জীবন, মৃত্যু ও উত্তরাধিকার

১৮২১ সালে হান্ট ইতালিতে যান বায়রন ও শেলির সাথে The Liberal সম্পাদনা করতে। শেলির মৃত্যুর পর তিনি ইংল্যান্ডে ফিরে আসেন এবং বিভিন্ন পত্রিকা (Tatler, London Journal, Monthly Repository) সম্পাদনা করেন, যদিও আর্থিক সাফল্য পাননি।

১৮৪৭ সালে লর্ড জন রাসেল তাঁকে বার্ষিক ২০০ পাউন্ডের পেনশন দেন। ১৮৫০ সালে প্রকাশিত তাঁর Autobiography of Leigh Hunt তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গদ্যকর্ম।

২৮ আগস্ট ১৮৫৯ সালে পুটনিতে (লন্ডন) ৭৪ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উত্তরাধিকার:
লেই হান্ট আজ সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় তাঁর সম্পাদকীয় দূরদর্শিতা ও কিটস-শেলির মতো প্রতিভাদের প্রথম মঞ্চ দেওয়ার জন্য। তিনি রোমান্টিক আন্দোলনকে শুধু কাব্যিক নয়, রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবেও সমৃদ্ধ করেছিলেন। তাঁর “ককনি স্কুল” পরিচয় আজ গর্বের প্রতীক — এটি ছিল মধ্যবিত্ত লন্ডনের সৃজনশীলতা ও সংস্কারের প্রতীক।

তাঁর রচনাবলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য: The Story of Rimini (১৮১৬), The Indicator প্রবন্ধাবলি, Imagination and Fancy (১৮৪৪), Autobiography (১৮৫০)।

লেই হান্ট ছিলেন সেই সেতু যিনি রাজনৈতিক সাহস ও সাহিত্যিক উদারতার মাধ্যমে দ্বিতীয় প্রজন্মের রোমান্টিক কবিদের পথ প্রশস্ত করেছিলেন। তাঁর জীবন প্রমাণ করে যে, একজন সম্পাদক ও বন্ধু কীভাবে ইতিহাসের গতিপথ বদলে দিতে পারেন।

0 Comments

প্রতিটি অপেক্ষার মূল্য অনেক ...