শিশুতোষ
ছড়ায় ছড়ায় আমার দেশ
রবি বাঙালি
তেল সংকট
— রবি বাঙালি
পাম্পে গিয়ে নিত্য দেখি
লম্বা লম্বা লাইন,
ফুয়েল কার্ডের কারসাজিতে
হয়না কোনো ফাইন।
প্রভাবশালী সিন্ডিকেটে
থমকে গাড়ির চাকা,
সাধারণের তেল মিলেনা
যতই থাকুক টাকা।
চালক বসে হাপিত্যেশে
গুনে দিনের ক্ষতি,
তেলের দামে আগুন লেগে
জ্বলছে কর্ম গতি।
রান্নাঘরে হাঁড়ি চড়ে
হয় না গ্যাসে রান্না,
লাড়কি চুলার ধোঁয়ায় বসে
গিন্নি করে কান্না।
ডিজেল মবিল সংকটে আজ
শ্যালো মটর অচল,
কাঠ ফাটা রোদ সোনার মাঠে
পুড়ছে চাষির ফসল।
মিতব্যয়ী বুদ্ধিমত্তায়
তেল সংকটকে রুখে,
নতুনভাবে সাজাতে দেশ
জাগাই আশা বুকে।
রচনাকাল : ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি.।
বৈশাখী মেলা
– রবি বাঙালি
বট প্রান্তরে বাংলা জুড়ে
মেলা ওই বৈশাখী,
রঙের ঢেউ আর হাসির ধ্বনি
খুশি মাখামাখি।
কাঁসর- বাঁশি ডাকে সুরে
তালে বাজে ডাক-ঢোল,
শিশু-কিশোর মেলার পানে
ছুটে ওই দলেদল।
পান্তা-ভর্তা -ইলিশ ছড়ায়
সুবাস অবিরত,
বাউলা জারি পালাগানে
মেলা মুখরিত।
মাটির ব্যাংক আর কারুপণ্যে
দোকান সাজে ভারী,
দা বটি আর নকশী পাখায়
মনটা যে নেয় কাড়ি।
মাটির ঘোড়া, পুতুল, হাঁড়ি
থরেথরে সারি,
রঙিন ফিতে, কাঁচের চুড়ি
কিনতে আসে নারী।
লাল পাড়িয়া সাদা শাড়ি,
হাতে রঙিন চুড়ি
বউ-ঝিরা সব সাজে নতুন
মনটা করে চুরি।
নাগরদোলা ঘুরছে দেখি
আকাশ ছোঁয়ার পণে,
উল্লাসে সব শিশু কিশোর
খুশি ভরা মনে।
এই মেলাতে গ্রামীণ বাংলার
প্রাণের ছবি আঁকা,
ঐতিহ্যেরই শেকড়গুলো
যায় না ভুলে থাকা।
রচনাকাল : ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি.।
বৈশাখী শিলাবৃষ্টি
রবি বাঙালি
কালবৈশাখীর ঝড়ের সাথে
কালো মেঘের দৈত্য,
গুড়ুম গুড়ুম গর্জনেতে
বজ্রপাতের নৃত্য।
বড় বড় বৃষ্টির ফোঁটায়
শিল পড়ে ধুপধাপ,
সাদাসাদা বরফ কুচি
চারিদিকে সয়লাপ।
খোকাখুকি শিল কুড়াতে
বাটি হাতে ছুটে,
মঠিমুঠি বরফ জমায়
ভয়কে তারা টুটে।
বৈশাখে পাহাড়ি বান
রবি বাঙালি
মেঘ ভাঙা ওই বৃষ্টি নামে
কালবৈশাখী ঝড়ে,
পাহাড়ি বান হাওর পানে
ছুটে ভীষণ তরে।
কোমর পানি ধানের মাঠে
শিষগুলো সব কাঁদে,
কৃষক বাঁচাও দেশকে বাঁচাও
ডুবছে জলের ফাঁদে।
কৃষাণী মা কপাল চাপড়ায়
চোখ ভাসে তার জলে,
একবছরের খোরাক তাদের
ডুবলো পানির তলে।”
আমার কৃষক বুক ভাসিয়ে
কাস্তে হাতে মাঠে,
বজ্র বৃষ্টির ভয় মাড়িয়ে
ডুবন্ত ধান কাটে।
সবাই মিলে মাথায় কাঁধে
আনে ধানের আঁটি,
মাড়াই শুকায় উঁচু ভিটায়
হাসিতে মুখ ফাটি।
ডুবে ফসল তবু্ও আশা
বুনে কৃষক মনে,
আবার তারা ধান ফলাবে
দ্বিগুণ পরের সনে।
২৮ এপ্রিল, ২০২৬খ্রি.।
কৃষক
রবি বাঙালি
ঊষা হতে সন্ধ্যাবোধি
নিত্য তারা খাটে,
বৃষ্টি ভিজে রোদে পুড়ে
শস্য ফলায় মাঠে।
শ্রমের ঘামে সিক্ত ফসল
মূল্য পায় না মোটে,
মজুদদার আর মধ্যসত্ত্বী
অধিক প্রফিট লুটে।
কৃষক বলে তোমরা যাদের
নিত্য দাও যে গালি,
তারাই তোমার আহার যোগায়
হৃদয়খানা ঢালি।
সত্যিকারের দেশের সেবক
শোনো দেশোবাসী,
বুকের মাঝে কষ্ট পুষে
মুখ ভরে দেয় হাসি।
অর্থনীতির মূল চালিকায়
তাদের কেউ নয় তুল্য,
হেলা ভুলে বুকে তুলে
দিয়ো তাদের মূল্য।
রচনাকাল : ১৩ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি.।
আমাদের মাছ
রবি বাঙালি
ঝিলিক মারে রূপালি গা
লাফায় পদ্মার জলে,
ইলিশ মামা ইলিশ মামা
যাচ্ছো কোথায় চলে?
রুই-কাতলা আর মৃগেল- বাউস
পুঁটি-টেংরা সাথে,
বোয়াল দাদু গোঁফ নাড়িয়ে
লুকায় কলমি পাতে।
চিংড়ি বাবু নাচে ধেই ধেই
পেছন দিকে হাঁটে,
শোল-গজার-চেং-টাকি-গুচি
পাঁকের ভেতর কাটে।
জেলে ভাইয়া জাল ফেলেছে
“আয় মাছেরা আয় রে,”
মাছেরা সব চালাক ভারি
ফাঁকি দিয়ে যায় রে।
মাছ আমাদের পুষ্টির যোগায়
বুদ্ধি বাড়ে মাথায়,
নদী ভালো থাকলে তবেই
মাছে ভরবে পাতায়।
রচনাকাল : ২৩ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি.।
মাঝি
রবি বাঙালি
ভোর বেলাতে মাঝি হাকে
দাঁড়ায় নদীর বাটে
“কে যাবে গো ওপারেতে
আয়রে নদীর ঘাটে।”
দাঁড়ের টানে গান ধরেছে
ভাটিয়ালি সুরে,
“মন মাঝি তোর বৈঠা নে রে
দে মাঝি দে ছেড়ে।”
ঝড়-তুফানে-বৃষ্টি এলে
পায় না রে ভয় মাঝি
জীবন-মরণ হাতের মুঠোয়
ধরতে জানে বাজী।
রোদে পোড়ে, জলে ভেজে
তবুও কাজে খুশি,
মাঝি ছাড়া নদীর পারের
মানুষ বড় দুঃখী।
তোমার নৌকা গাঙপাড়িদের
করে ধন্য- ঋদ্ধ,
সালাম তোমায় ওহে মাঝি
জীবন তোমার যুদ্ধ।
রচনাকাল : ২ মে,২০২৬ খ্রি.।
বন্যা
রবি বাঙালি
আষাঢ় মাসে ধূসর মেঘে
নামলো অঝোর ধারা,
নদী নালা ফুলে-ফেঁপে
প্লাবিত কূল হারা।
গোবাদীরা সারসারি
ভেসে যায় ভাটিতে,
ডুবে সব ঘর-বাড়ি পথঘাট
উজানের পানিতে।
চারিদিকে বন্যার পানি
যেনো এক পারাবার,
খোকা-খুকির বই-খাতা সব
ভিজে শেষে একাকার ।
তবুও বন্যা খারাপ না রে
পলি মাটি আনে,
মাঠে মাঠে সোনার ফসল
ফলে তাহার দানে।
নৌকা ছাড়া থমকে গতি
কলার ভেলায় চড়ি,
এই বিপদে, শিক্ষাও দেয়
মিলেমিশে লড়ি।
বন্যা এলে ভয় পাবো না
পাশে রবো সবে,
বাঁধ দেবো আর গাছ লাগাবো
বন্যা জিতবে কবে?
রচনাকাল : ৩ মে,২০২৬ খ্রি.।
নৌকা বাইচ
রবি বাঙালি
চারিদিকে নদীর বুকে
হৈ হৈ রৈ রৈ রব,
নৌকা বাইচ খেলা হবে
দেখবো মোরা সব।
সরু সরু লম্বা নৌকা
বাহারি তার সাজ,
পঞ্চাশ জনে মাল্লা বসে
বৈঠা চালায় আজ।
“হেইয়ো মারো, হেইয়ো মারো”
গানের তালে তাল,
ঢোল-কাঁসি-শিঙা বাজে
জমে উঠে হাল।
এপার-ওপার লোক জমেছে
করতালির ধুম,
জিতে যখন বাইচালেরা
খুশিতে হয় খুন।
নৌকা বাইচ বাংলার খেলা
ঐতিহ্যের ধন,
ভাদ্র মাসে নদীর বুকে
জাগে সবার মন।
রচনাকাল : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রি.।
হাওরের দেশ
রবি বাঙালি
ছয় মাসে রয় জলের তলে
এই তো হাওরের রীতি,
টাঙ্গুয়া আর হাকালুকির
অপরূপ তার গীতি।
জলে ভাসে শাপলা-শালুক
পানকৌড়িদের খেলা,
শীতকালেতে পরিযায়ীর
জমে ওঠে মেলা।
ধীবর জাতি হাওরবাসীর
জলের সাথে বাস,
হাটবাজারে আর স্কুলে যায়
নৌকায় বারো মাস।
বর্ষাকালে সাগর যেন
শুকনো কালে ধান,
হাওর জলে মাছে ভরা
মনে খুশির বান।
সুনামগঞ্জ আর কিশোরগঞ্জে
হাওর মোদের ভাই,
জল-জোছনায় ভেসে বেড়াই
মন রাঙাতে যাই।
রচনাকাল : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি.।
নদীর পাড়ের জীবন
রবি বাঙালি
নদীর পাড়ে ছোট্ট গাঁয়ে
টিনের চালা ঘর,
সকাল হলে জেলের নৌকা
ভাসে জলের পর।
কৃষান চলে লাঙল কাঁধে
ধান বুনতে মাঠে,
কৃষানীরা কলসি কাঁখে
জল আনতে ছুটে।
নদী পাড়ের ছেলেমেয়ে
নাইতে জলে ঝাঁপ,
কেউ বা আবার সাঁতার কাটে
খুশিতে দেয় লাফ।
জোছনা রাতে পাড়ে বসে
গল্প শুনি বেশ,
মাতৃসম নদীর স্নেহ
যায় কি ভোলা রেশ!
সুখে-দুখে নদীর সাথে
বাঁধা সবার প্রাণ,
পাড়ের জীবন সহজ-সরল
ভালোবাসার গান।
রচনাকাল : ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি.
জেলে
রবি বাঙালি
ভোর না হতেই জেলে ভাইয়া
নৌকায় গিয়ে ওঠে,
জাল কাঁধে আর টোপলা হাতে
মাছের আশায় ছোটে।
রোদে পোড়ে, বৃষ্টি ভেজে
তবুও মুখে হাসি,
ইলিশ পেলে বউ-বাচ্চাদের
খুশি রাশি রাশি।
ঝড়ের রাতে নদীর বুকে
জীবন রাখে বাজি,
মাছ না পেলে উপোস থাকে
আমার ধীবর মাঝি।
ইলিশ-রুই আর চিংড়ি-পুঁটি
আমিষ পুষ্টির ভাণ্ডার,
বাঁচলে নদী বাঁচবে জেলে
তারাই দেশের কাণ্ডার।
সবাই মিলে মাছে ভাতে
সুস্থ জাতি গড়ি,
পেন্নাম তোমায় ও জেলে ভাই
শ্রদ্ধা ভরে স্মরি।
রচনাকাল : ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি.
আমাদের সেতু
রবি বাঙালি
বড় নদীর বড় সেতু
অর্থনীতির স্পন্দন,
এপার-ওপার দেয় মিলিয়ে
ভালোবাসার বন্ধন।
যমুনাতে দুইটি সেতু
লম্বা বিশাল অতি
রেলগাড়ী আর মটরগাড়ি
চলে দিবা-রাতি।
পদ্মা সেতু স্বপ্নে বুনা
ছিল অক্ষি কোণে,
দক্ষিণ বঙ্গ মূলধারাতে
গর্ব সবার মনে।
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ বুড়ো দাদা
শত বছরের রত্ন,
মেঘনা-রূপসা-লালন সেতু
অহংকারের স্বপ্ন।
কর্ণফুলী-তিস্তা সেতু
মেঘনার বুকে ভৈরব,
লেবুখালি-পায়রা সেতু
সাগরকন্যার গৌরব।
সময় বাঁচায় খরচ কমায়
ব্যবসা বাড়ায় ভাই,
বড় বড় নদীর বুকে
আরো সেতু চাই ।
রচনাকাল: ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি.।
রবি দাদু
রবি বাঙালি
তাল গাছে ওই বাবুই পাখি
বাসা বাঁধে ছন্দে,
বিশ্বকবি রবি দাদুও
লিখতেন তেমন ছন্দে।
নদীর জলে নৌকা ভাসে
পাল তুলে যায় দূরে,
রবি দাদুর গানের তরী
ভাসে সবার সুরে।
সহজ পাঠে অ-আ শিখি
কিশলয়ে মন মাতি,
দাদু বলেন, “খেলার ছলে
পড়তে হবে খাঁটি।”
আম-কাঁঠালের ছায়ায় বসে
লিখতেন তিনি গীতি,
“আমার সোনার বাংলা” দিয়ে
কাড়লেন সবার প্রীতি।
চাঁদের আলো, জোনাক জ্বলে
রাতের বেলা মাঠে,
রবি দাদুর কবিতা পড়ি
ঘুমপাড়ানি পাঠে।
ছোট্ট খোকা, ছোট্ট খুকি
বলো তো ভাই কে সে?
নোবেল জয়ী রবি ঠাকুর
অন্য কেহ নয় যে!
বিশ্বজোড়া নামটি তাহার
তবুও মাটির টানে,
শান্তিনিকেতন গড়েন তিনি
আলো জ্বালান প্রাণে।
তাই তো বলি আমরা সবাই
হাতে রাখবো হাতটাকে,
রবি দাদুর মতো হবো
ভালোবাসবো দেশটাকে।
রচনাকাল : ৮ মে,২০২৬ খ্রি.।
আমাদের রবি ঠাকুর
রবি বাঙালি
পাঠশালা হোক গাছতলাতে
সুনির্মল ছায়াতে
রবি দাদু ছবি আঁকে
রঙিন তুলির ছোঁয়াতে।
প্রজাপতি ডানা মেলে
ফুলে বনে উড়ে,
দাদু বলেন, “খোকা শেখো
এই প্রকৃতি জুড়ে।”
“আলো আমার আলো” গানে
ভোরের পাখি জাগে,
“ফুলে ফুলে ঢলে ঢলে”
মনটা ভীষণ লাগে।
বীরপুরুষের মতো সাহস
দিতেন তিনি জোরে
“ভয় কী রে তোর, এগিয়ে চল
সত্যের পথটি ধরে।”
নদীর ধারে খেয়া ঘাটে
বাউল গায় একতারায়,
রবি দাদু সুর কুড়িয়ে
বাঁধেন গানের পসরায়।
ছোট্ট তুমি, বড় হবে
স্বপ্ন দেখো রাতে,
রবি ঠাকুর পথ দেখাবেন
আলো নিয়ে হাতে।
রচনাকাল : ৮ মে,২০২৬ খ্রি.।
সবার আগে মাতৃভূমি
রবি বাঙালি
আয়রে তরুণ আায়রে যুবা
স্বদেশ এবার গড়তে,
হাতের মুঠোয় মৃত্যুপণে
দেশদ্রোহীদের রুখতে।
মাগো তোমার স্নেহের আঁচল
রক্তের দরে কেনা,
সাত জনমে সম্ভ্রমের দাম
অশোধিত দেনা।
পুঁজিবাদী নব্যবর্গী
যতই মারুক ছোবল,
বিভাজনের রাজনীতিতে
আর হবে না সফল।
জাতি ধর্ম সংখ্যা লঘু
সকল বিদ্বেষ ভুলে,
সৌহার্দ্য আর সম্মানে দেই
ভ্রাতৃত্বের দ্বার খুলে।
সততায় সব অর্পিত কাজ
উন্নয়নের মন্ত্র,
সবার আগে মাতৃভূমি
হোক মানবিক তন্ত্র।
রচনাকাল : ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি.।
রবি বাঙালি’র শিশুতোষ ছড়াগুচ্ছ
১. মেঘের মাদল
রবি বাঙালি
মেঘের মাদল বাজল ওই,
ব্যাঙেরা সব গেল কই?
পুকুর পাড়ে ব্যাঙের ডাক—
ঘ্যাঙর ঘ্যাঙে পাড়ে হাঁক
খোকা খুকু দিচ্ছে দৌড়,
বৃষ্টি ভিজে দিচ্ছে গড়।
রচনাকাল : ১৫ জুন,২০২৬ খ্রি.।
২.পহেলা আষাঢ়
রবি বাঙালি
আজ পহেলা আষাঢ় স্নিগ্ধ কদম ফুল,
বৃষ্টি স্নাত ঘ্রাণে জুড়ায় হৃদয় কূল।
মেঘের মেঘলা ডানায় বাজে বর্ষার গান,
সবুজ পাতায় পাতায় জুড়ায় শ্রান্ত প্রাণ।
রচনাকাল : ১৫ জুন,২০২৬ খ্রি.।
৩. কাগজের নাও
রবি বাঙালি
ঝমঝমাঝম বৃষ্টি পড়ে,
টিনের ছাউনি মোদের ঘরে।
খোকা বলে, “আহা রে! ভাই
কাগজের নাও ভাসাতে চাই ।”
ভাসিয়ে দেয় জলের ধারায়,
মন খুশিতে ছুটছে তাড়ায়।
রচনাকাল : ১৫ জুন,২০২৬ খ্রি.।
৪. মানপাতার ছাতা
রবি বাঙালি
দেয়া ডাকে আকাশ জুড়ি,
কোথায় গেল রোদের বুড়ি?
টিনের চালে নুপূর বাজে,
মন বসে না কোনো কাজে।
মানের পাতার ছাতা মাথায়,
চলছে খোকা ইসকু্ল সেথায়।
রচনাকাল : ১৫ জুন,২০২৬ খ্রি.।