যুদ্ধ নামক এক আত্মঘাতী পথে এগোচ্ছে বিশ্ব
একবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে দাঁড়িয়ে মানবজাতি যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ অভিযান আর চিকিৎসা বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব সাফল্য উদযাপনে ব্যস্ত, ঠিক তখনই পৃথিবীর বহু প্রান্তের আকাশে উড়ছে মারণাস্ত্রের রক্ত চক্ষু ঈগল। দূর দিগন্তে কুণ্ডলী পাকিয়ে উঠছে কালো ধোঁয়া, আর তার নিচে চাপা পড়ছে হাজার হাজার নিষ্পাপ প্রাণ, শিশুর কান্না এবং মানুষের চিরন্তন স্বপ্ন। যে সভ্যতার মূল ভিত্তি হওয়ার কথা ছিল শান্তি, সহমর্মিতা আর সমৃদ্ধি, সে সভ্যতা আজ দাঁড়িয়ে আছে এক আশঙ্কাজনক ধ্বংসস্তূপে।
স্পষ্টতই, বিবেক ও মানবতাকে বিসর্জন দিয়ে বিশ্ব আজ এগোচ্ছে এক চরম আত্মঘাতী যুদ্ধের পথে। আজকের বিশ্বে অস্ত্রের ঝনঝনানি, স্নায়ু যুদ্ধ এবং আঞ্চলিক সংঘাত মানবসভ্যতাকে এক চরম আত্মঘাতী ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার, জলবায়ু সংকটকে উপেক্ষা করে সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি এবং কূটনীতির চরম ব্যর্থতা প্রমাণ করে যে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ শান্তির পথ ছেড়ে আত্মহননের এক সর্বগ্রাসী পথ বেছে নিয়েছে। যুদ্ধ উন্মাদনা ও বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতা এতটাই ভয়াবহ যে, বিশ্ব শান্তির পক্ষের লোকজন যেন চিৎকার করে বলছেন: শোনো, শোনো বিশ্ব জুড়ে আজ শান্তির বাণী ফিকে হয়ে আসছে, পরাশক্তিগুলোর অহংকার মানবজাতিকে নতুন নতুন সংকটের মুখে ঠেলে দিচ্ছে, ছোট ও আঞ্চলিক যুদ্ধগুলো বড় যুদ্ধের( তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের) পূর্বাভাস দিচ্ছে। কূটনৈতিক সংলাপের জায়গা দখল করছে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন। এইসব যুদ্ধের মদতদাতারাই বিশ্ব অর্থনীতির ধ্বংস ও মানবিক বিপর্যয়ের জন্য দায়ী।
তারা তাদের অস্ত্রের উৎপদানের পেছনে, সেই অস্ত্র বিপননের বাজার খোঁজার পেছনে কোটি কোটি টাকা ঢালছে। কিন্তু বিশ্ব মানবের সুষম কুশলের জন্য, খাদ্যমান উন্নত করার জন্য, শিক্ষা ও চিকিৎসার উন্নতির জন্য কিছুই করছে না। যা কিছু নামকাওয়াস্তে করছে সবই লোক দেখানো। সংকট জিইয়ে রেখে সামান্য দান-খয়রাত চরম ভণ্ডামির নামান্তর। যুদ্ধ লাখ লাখ মানুষকে বাস্তুচ্যুত করছে। এইসব বাস্তুচ্যুৎ মানুষের ভবিষ্যৎ প্রজন্মআবার এক ধোঁয়া ও ধূলিধূসরিত পৃথিবীতে বেঁচে থাকার সংগ্রামে অবতীর্ণ হবে। পরিস্থিতি এতটাই টালমাটাল যে, কেউ বলতে পারে না মাথার ওপর কখন পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটে যায়।
এইসব আধুনিক মারণাস্ত্রগুলো এতটাই শক্তিশালি যে, বহু সভ্যতাকে নিমিষেই বিলিন করে দিতে সক্ষম। বিশ্বনেতাদের কোনো একজনের সামান্য ভুল বা হটকারী আচরণ পুরো পৃথিবী মুহূর্তে ছাই করে দিতে পারে। যে মহান উদ্দেশ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রযাত্রাকে মানুষ আশীর্বাদ হিসেবে গ্রহণ করেছিল রাজনীতিবিদদের হাতে পড়ে সেই সব আবিষ্কার তাদের আত্মপ্রদর্শনীর উপাদানে পরিণত হয়ে তাদেরই অপব্যবহারের কারণে ভয়াবহ রুপ নিয়েছে। যাকে কেবল অভিশাপ হিসেবেই আখ্যায়িত করা যায়। মানুষের এমন অপরিণামদর্শী আচরণে প্রকৃতিও ক্রমশ প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে উঠছে, ফলে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে পৃথিবী। গত কয়েক সপ্তাহ আগের ইউরোপের তাপমাত্রা সহনশীলতার সীমা ছাড়ানোই কি এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ নয়? যুদ্ধের আগুন যত দ্বিগদ্বিক ছড়িয়ে যাবে বৈশ্বিক তাপমাত্রার বৃদ্ধি পৃথিবীকে তত বসবাস অযোগ্য করে তুলবে।
গত এক শতকের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, শীতল যুদ্ধের সমাপ্তি আমাদের যে স্থায়ী শান্তির আশা দেখিয়েছিল, তা এখন শুধুই মরীচিকা। গ্লোবালাইজেশন বা বিশ্বায়নের যুগে অর্থনৈতিক আন্তঃনির্ভরশীলতা যুদ্ধের আশঙ্কা কমাবে বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবতা পুরোপুরি ভিন্ন। মধ্যপ্রাচ্যের বছরের পর বছর ধরে চলা অশান্তি, পূর্ব ইউরোপের মাটিতেই উক্রেন-রাশিয়ার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে পরাশক্তিগুলোর পেশি শক্তি প্রদর্শনী এবং জলসীমা নিয়ে টানাপোড়েন প্রমাণ করে যে, ভূ-রাজনীতির রক্তক্ষয়ী দাবাখেলায় বিশ্ব নেতারা সাধারণ মানুষকে শুধুই ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে।
আঞ্চলিক কিংবা বৈশ্বিক—যে কোনো সংঘাতের নেপথ্যেই রয়েছে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত আধিপত্য বিস্তারের প্রতিযোগিতা। সামরিক জোটের বিস্তার, প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ কায়েম এবং আদর্শগত অন্ধত্ব পুরোবিশ্বকে এক নজিরবিহীন বারুদ স্তূপের ওপর বসিয়ে দিয়েছে। বিশ্ব নেতৃবৃন্দ বুঝতে চাইছে না, তাদের একটি ভুলে সামান্য কোনো একটি স্ফুলিঙ্গ থেকেই যেকোনো মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়তে পারে বিশ্বব্যাপী এক ভয়াবহ দাবানল। আসলে বিশ্বজুড়ে এখন যা হচ্ছে তা হলো মারণাস্ত্রের প্রতিযোগিতা ও অর্থনীতি ধ্বংসের প্রদর্শনী। যুদ্ধের এই নতুন সমীকরণে সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয় হলো বিশ্ব জুড়ে সামরিক বাজেটের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। যে অর্থব্যয় হতে পারত ক্ষুধা দূরীকরণে, দারিদ্র্য বিমোচনে, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কিংবা জলবায়ু পরিবর্তনের চরম ঝুঁকি মোকাবিলায়—সেই অর্থই আজ ব্যয় হচ্ছে অধিক ধ্বংসাত্মক মারণাস্ত্র তৈরি ও রপ্তানীতে।
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, পারমাণবিক বোমার আধুনিকায়ন, ড্রোন প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের আবিষ্কার যুদ্ধকে আরও বেশি নির্মম ও সর্বগ্রাসী করে তুলেছে। আজ আর যুদ্ধের ঘুঁটি দুটি সেনাবাহিনীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বোতাম টিপে হাজার মাইল দূরের একটি জীবন্ত শহরকে নিমিষেই ধূলিসাৎ করে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। পারমাণবিক যুদ্ধের ঝুঁকি আজ আর কোনো কাল্পনিক রুপকথা নয়, বরং এক বিভীষিকাময় বাস্তবতা। বিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন যথার্থই বলেছিলেন, ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কী দিয়ে লড়া হবে তা আমি জানি না, তবে চতুর্থ বিশ্ব যুদ্ধ লড়া হবে লাঠি আর পাথর দিয়ে।’ সামরিক পরাশক্তিগুলোর এই অন্ধ প্রতিযোগিতা মূলত মানবজাতিকে সেই আদিম ও শূন্যের কোঠায় নিয়ে যাওয়ারই বন্দোবস্ত করছে। সবচেয়ে বড় সংকট হবে অর্থনীতির বিপর্যয় জনিত মানবিক সংকট। কারণযুদ্ধের আগুন কেবল যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। এর মাশুল গুণতে হবে পুরো বিশ্বকে। কারণ পুরোবিশ্ব পারস্পরিকভাবে যুক্ত কতকগুলো দৃশ্যমান তারে। সে সব তারের মধ্যে অন্যতম দু’টি তার হলো খাদ্য ও জ্বালানি। এ দু’টি তার অর্থনৈতিকভাবে সংযুক্ত করে রাখছে আজকের বিশ্বকে ।
যে কোনো আঞ্চলিক সংঘাত মুহূর্তেই বিশ্ব বাজারে মন্দা ডেকে আনবে। সরবরাহ শৃঙ্খল বা ‘সাপ্লাই চেইন’ ভেঙে পড়বে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে তেল, খাদ্য শস্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে। যুদ্ধক্ষেত্রের শত শত মাইল দূরে থাকা কোনো দরিদ্র বা উন্নয়নশীল দেশের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ যখন চড়া দামে খাবার কিনতে হিমশিম খায়, তখন বুঝতে হবে সে-ও যুদ্ধের পরোক্ষ শিকার। অন্যদিকে বাস্তুচ্যুতি যুদ্ধের আরেক নিষ্ঠুর বিপর্যয় যার জন্য কোটি কোটি শরণার্থী মানুষ আজ আর গৃহহীন, বিভিন্ন দেশের সীমান্তে আশ্রয় নিয়ে অমানবিক ও মর্যাদাহীন জীবন যাপনে বাধ্য হচ্ছে। অথচ একসময় তাদের সব ছিল অর্থ-সম্পদ-সন্তান-ঘরবাড়ি। ক্ষুধা, অপুষ্টি, রোগ ব্যাধি আর স্বজন হারানোর ট্রমা এক বিষাদময় ভবিষ্যৎ তৈরি করছে। বিশেষ করে শিশুদের জীবন থেকে মুছে যাচ্ছে শৈশবের সমস্ত রঙ। একটি প্রজন্মের সম্ভাবনাকে এভাবে অস্ত্রের মুখে পিষে ফেলার অধিকার কারোরই নেই।
আগেকার দিনে দেখা গেছে, বিশ্বের কোনো এক দেশের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এগিয়ে এসেছে। কিন্তু যুদ্ধ পরিস্থিতি যেভাবে নতুন বিশ্বব্যবস্থা গড়ে দিচ্ছে শিগগির আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে সকল প্রকার কর্মকাণ্ড থেকে হাত গুটিয়ে নিতে বাধ্য হবে। কারণ যুদ্ধের হিংসার সহজ শিকার হচ্ছে মানবিধাকার সংস্থার কর্মীরাও। ফিলিস্তিন ও মিয়ানমারের রিফিউজিদের বর্তমান সংকটের অন্যতম বড় কারণ বিশ্ব শান্তি রক্ষায় নিয়োজিত আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কিংবা বাধার কারণে অক্ষম হয়ে পড়া। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতার পর বিশ্বব্যাপী শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি নিয়ে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু আজ ভিটো ক্ষমতার অপব্যবহার এবং পরাশক্তিগুলোর নিজস্ব এজেন্ডার কাছে জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যত ঠুঁটো জগন্নাথে পরিণত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক আইন, জেনেভা কনভেনশন কিংবা মানবাধিকারের বার্তাগুলো আজকে অর্থহীন নীতিবাক্যের বইয়েই সীমাবদ্ধ। যখন কোনো শক্তিশালী রাষ্ট্র স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত নিয়ে দুর্বল রাষ্ট্রের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যখন শুধু ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেই দায়িত্ব শেষ করে, তখন বুঝতে হবে বৈশ্বিক সুশাসনের নৈতিক ভিত্তি ভেঙে পড়েছে। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতি যুদ্ধবাজদের আরও বেশি দুঃসাহসী করে তুলছে। তারা যুদ্ধের দ্বারা সরাসরি মানবজাতিকে ধ্বংস করছে না, পরোক্ষভাবেও ভয়ানক সংকটে ঠেলে দিচ্ছে। যেমন জলবায়ু সংকট। যুদ্ধ দ্বারা প্রকৃতির যে ক্ষয়ক্ষতি হয় টাকার অঙ্কে তা পরিমাপযোগ্য নয়। আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি যখন মানবজাতির সবচেয়ে বড় অস্তিত্বের লড়াই হওয়ার কথা ছিল জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, দাবানল ও ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ পুরো পৃথিবীকে এক বসবাস অযোগ্য গ্রহে পরিণত করার হুমকি দিচ্ছে। এই চরম সংকটকালে বিশ্বনেতাদের একজোট হয়ে পরিবেশ রক্ষায় কাজ করার কথা ছিল। অথচ, আমরা দেখতে পাচ্ছি এক বিপরীতমুখী উন্মাদনা। বিশ্বপরিবেশ ও জলবায়ুকে আড়ালে রেখে যুদ্ধকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বোমা বর্ষণ, ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ এবং সামরিক যান চলাচলের মাধ্যমে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন নিঃসৃত হয়, তা পৃথিবীর পরিবেশগত বিপর্যয়কে ত্বরান্বিত করছে। অর্থাৎ, অস্ত্রের সরাসরি আঘাতেই হোক কিংবা পরিবেশের ধ্বংসের মাধ্যমে হোক—দুভাবেই মানবজাতি নিজের কবর নিজে খুঁড়ছে।
এখন শেষমেশ যে প্রশ্নটি আমাদের তুলতেই হচ্ছে তাহলো: আমাদের উত্তর প্রজন্মের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা কতটুকু আর আমরা কী করে যাচ্ছি? সংক্ষেপে প্রশ্নটা হলো: আমরা আমাদের সন্তানদের জন্য কেমন এক পৃথিবী রেখে যাচ্ছি?
একটি পারমাণবিক ছাইয়ের স্তূপ, নাকি রক্তে ভেজা এক মানচিত্র? বিশ্ব যদি আজই সচেতন না হয় এবং যুদ্ধের এই বিভীষিকা থেকে মুখ ফিরিয়ে না নেয়, তবে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না। আমাদের মনে রাখতে হবে, যুদ্ধে জয়ী হলেও আদতে বিজয়ী কেউই হয় না। বিজয়ী ও বিজিত—উভয় পক্ষই হারায় রক্ত, সম্পদ ও মানসিক শান্তি। সভ্যতার টিকে থাকার একমাত্র পথ হতে পারে সংলাপ, কূটনৈতিক আলোচনা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা।
আমাদের দাবী, শান্তির পতাকাই হোক একমাত্র ভবিষ্যৎ। যুদ্ধ নামক আত্মঘাতী খেল বন্ধ করতে হলে বৈশ্বিক জনমত গড়ে তোলা জরুরি। যুদ্ধের বিপক্ষে এবং শান্তির পক্ষে সোচ্চার হতে হবে বিশ্বের প্রতিটি নাগরিককে, প্রতিটি রাষ্ট্রকে। বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলোকে সামরিক শক্তির প্রদর্শনী বন্ধ করে কূটনীতির টেবিলে ফিরতে হবে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে হবে, যাতে ভিটো ক্ষমতার মোড়কে মানবতাকে জিম্মি করা না যায়।
গাজী সাইফুল ইসলাম
কবি, ঔপন্যাসিক ও অনুবাদক।
দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ের বিশ্লেষক