Aditya Bhowmik

মায়ের আঁচলে গণেশ
আদিত্য ভৌমিক
তারিখ: ২৮/৯/২০২৬
সমুদ্রের নীল জলের মতো শান্ত এক স্বপ্নের জগৎ। চারদিকে ঢেউয়ের মৃদু দোলা, ছোট ছোট মাছের ছুটে চলা আর জলের বুকে ভেসে থাকা অসংখ্য বুদবুদের মাঝে যেন ভালোবাসার এক অপূর্ব ছবি আঁকা। সেই ছবির কেন্দ্রবিন্দুতে বসে আছেন মা, আর তাঁর কোলে ছোট্ট গণেশ।
গণেশের মাথায় মুকুট, তাতে শোভা পাচ্ছে ময়ূরের পালক। পরনে হলুদ বস্ত্র, শরীরে লাল আভা। কিন্তু দেবত্বের সব অলংকার ছাপিয়ে সবচেয়ে সুন্দর হয়ে উঠেছে মায়ের কোলে তাঁর নিশ্চিন্ত আশ্রয়।
মা তাঁকে দুহাতে আগলে রেখেছেন। সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে তাঁর চোখে যেন পৃথিবীর সমস্ত মমতা এসে জমেছে। আর গণেশও মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে গভীর ভালোবাসায়। সে যেন জানে, পৃথিবীর যত ভয়, যত দুঃখ, যত অন্ধকারই আসুক না কেন, মায়ের ভালোবাসার কাছে তার কোনো শক্তিই নেই।
মায়ের হাতটি যখন আদর করে গণেশের গালে ছুঁয়ে যায়, তখন যেন চারপাশের সমুদ্রও কিছুক্ষণের জন্য শান্ত হয়ে যায়। মাছেরা থেমে তাকায়, ঢেউগুলো ধীরে ধীরে এগিয়ে আসে, আর নীল জলের নীরবতা মিশে যায় সেই মায়াময় মুহূর্তে।
মা তখন মৃদুস্বরে বলেন,
“বাবা, পৃথিবী যত বড়ই হোক, যত দূরেই যাস, মনে রাখিস, মায়ের ভালোবাসার চেয়ে বড় কোনো আশ্রয় নেই।”
গণেশ হয়তো মানুষের মতো করে কোনো উত্তর দেয় না। কিন্তু তার চোখের মায়া যেন বলে ওঠে,
“মা, তুমি পাশে থাকলে আমি সব পথ পাড়ি দিতে পারি।”
মায়ের কোলে সন্তানের জন্য কোনো রাজপ্রাসাদের প্রয়োজন হয় না। প্রয়োজন হয় না সোনা রুপোর অলংকার, অসীম সম্পদ কিংবা পৃথিবীর সমস্ত সুখ। মায়ের বুকের কাছে যে শান্তি, তা পৃথিবীর কোনো সম্পদ দিয়ে কেনা যায় না।
গণেশ দেবতা হয়েও মায়ের কাছে যেন সেই চিরচেনা ছোট্ট সন্তান। মায়ের আদরে তাঁর দেবত্বও যেন মমতার কাছে শিশুসুলভ হয়ে ওঠে। কারণ মা যত বড় দেবতারই মা হোন না কেন, সন্তানের কাছে তাঁর পরিচয় একটাই, মা।
এই ভালোবাসার কোনো বয়স নেই, কোনো সীমা নেই, কোনো শেষ নেই। সন্তান বড় হয়ে পৃথিবীর যত দূরেই চলে যাক, মায়ের হৃদয়ে সে থেকে যায় সেই ছোট্ট শিশুটিই।
আজও তাই মা ও গণেশের এই ভালোবাসার ছবি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র সম্পর্ক হলো মা ও সন্তানের সম্পর্ক। মায়ের ভালোবাসার কাছে দেবত্বও যেন একদিন শিশুর মতো মাথা নত করে।

0 Comments

Aditya Bhowmik

শরতের আকাশে মায়ের আগমন

আদিত্য ভৌমিক

তারিখ: ২৬/৯/২০২৬

শরতের আকাশটা যেন সেদিন একটু বেশিই নীল ছিল। সাদা মেঘগুলো ভেসে যাচ্ছিল আপন মনে। মাঠের ধারে কাশফুল দুলছিল মৃদু বাতাসে। ভোরের শিশিরে ভেজা ঘাস আর চারপাশে ছড়িয়ে থাকা শিউলির গন্ধে প্রকৃতি যেন আপন মনে বলে উঠেছিল, মা আসছেন।

কয়েকদিন ধরেই পাড়ার পূজামণ্ডপে ব্যস্ততা। কোথাও আলপনা আঁকা হচ্ছে, কোথাও ফুল দিয়ে সাজানো হচ্ছে মণ্ডপ। রঙিন আলোয় ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে চারপাশের দৃশ্য। সন্ধ্যা নামলেই ঢাকের মৃদু শব্দ আর শঙ্খধ্বনিতে বাতাস ভরে উঠছে।

অবশেষে এল মহাসপ্তমী।

প্রতিমার সামনে ধূপ জ্বলল, প্রদীপ জ্বলে উঠল। শঙ্খের ধ্বনি আর ঢাকের তালে চারপাশ যেন এক মুহূর্তে পবিত্র হয়ে উঠল। দেবীর মুখের শান্ত, মমতাময় দৃষ্টির দিকে তাকিয়ে মনে হলো, কত অপেক্ষার পর আবারও তিনি ফিরে এসেছেন আপন মানুষের মাঝে।

পূজার দিনগুলো যত এগিয়ে যেতে লাগল, ততই বদলে গেল চারপাশ। সন্ধ্যার আলোয় মণ্ডপ হয়ে উঠল আনন্দের মিলনস্থল। পরিচিত আর অপরিচিত মানুষ একসঙ্গে দাঁড়িয়ে মায়ের আরাধনায় মেতে উঠল। কারও হাতে ফুল, কারও হাতে প্রদীপ, কারও কণ্ঠে প্রার্থনা।

সেই কয়েকটি দিনে যেন ভুলে যাওয়া হলো সব অভিমান, দূরত্ব আর ব্যস্ততা।

মায়ের আগমনে এক মুহূর্তের জন্য মনে হলো, পৃথিবীটা আবারও একটু সুন্দর হয়ে উঠেছে।

কিন্তু উৎসব তো চিরদিন থাকে না।

বিজয়ার দিন এসে গেল।

ঢাকের তালে তালে বিদায়ের সুর বাজতে লাগল। প্রতিমার সামনে দাঁড়িয়ে সবার চোখে তখন অদ্ভুত এক শূন্যতা। যে মাকে ঘিরে এত আনন্দ, এত আয়োজন, এত ভালোবাসা, তাঁকেই আবার বিদায় দিতে হবে।

নদীর জলে প্রতিমা বিসর্জনের সময় আকাশটা যেন নীরব হয়ে গেল।

মনে হলো, মা চলে যাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু তাঁর আশীর্বাদ রেখে যাচ্ছেন মানুষের হৃদয়ে।

শরতের কাশফুল আবার দুলবে, শিউলি আবার ঝরবে, আকাশে আবার সাদা মেঘ ভাসবে। সময়ের স্রোতে আরও একটি পূজা স্মৃতির পাতায় চলে যাবে।

তবু অপেক্ষা থেকে যাবে।

আবার শরৎ আসবে।

আবার শিউলির গন্ধে ভরে উঠবে ভোর।

আবার ঢাক বাজবে, শঙ্খধ্বনি উঠবে, প্রদীপ জ্বলবে।

আর সবাই মিলে আবার বলবে,

“মা, এসো।

আবার এসো।

ভালোবাসা, শান্তি আর আশীর্বাদ নিয়ে প্রতি শরতে ফিরে এসো।”

ঠিকানা চট্টগ্রাম বাংলাদেশ

0 Comments

Aditya Bhowmik

শরতের আকাশে মায়ের আগমন
আদিত্য ভৌমিক
তারিখ: ২৬/৯/২০২৬
শরতের আকাশটা যেন সেদিন একটু বেশিই নীল ছিল। সাদা মেঘগুলো ভেসে যাচ্ছিল আপন মনে। মাঠের ধারে কাশফুল দুলছিল মৃদু বাতাসে। ভোরের শিশিরে ভেজা ঘাস আর চারপাশে ছড়িয়ে থাকা শিউলির গন্ধে প্রকৃতি যেন আপন মনে বলে উঠেছিল, মা আসছেন।

কয়েকদিন ধরেই পাড়ার পূজামণ্ডপে ব্যস্ততা। কোথাও আলপনা আঁকা হচ্ছে, কোথাও ফুল দিয়ে সাজানো হচ্ছে মণ্ডপ। রঙিন আলোয় ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে চারপাশের দৃশ্য। সন্ধ্যা নামলেই ঢাকের মৃদু শব্দ আর শঙ্খধ্বনিতে বাতাস ভরে উঠছে।

অবশেষে এল মহাসপ্তমী।

প্রতিমার সামনে ধূপ জ্বলল, প্রদীপ জ্বলে উঠল। শঙ্খের ধ্বনি আর ঢাকের তালে চারপাশ যেন এক মুহূর্তে পবিত্র হয়ে উঠল। দেবীর মুখের শান্ত, মমতাময় দৃষ্টির দিকে তাকিয়ে মনে হলো, কত অপেক্ষার পর আবারও তিনি ফিরে এসেছেন আপন মানুষের মাঝে।

পূজার দিনগুলো যত এগিয়ে যেতে লাগল, ততই বদলে গেল চারপাশ। সন্ধ্যার আলোয় মণ্ডপ হয়ে উঠল আনন্দের মিলনস্থল। পরিচিত আর অপরিচিত মানুষ একসঙ্গে দাঁড়িয়ে মায়ের আরাধনায় মেতে উঠল। কারও হাতে ফুল, কারও হাতে প্রদীপ, কারও কণ্ঠে প্রার্থনা।

সেই কয়েকটি দিনে যেন ভুলে যাওয়া হলো সব অভিমান, দূরত্ব আর ব্যস্ততা।

মায়ের আগমনে এক মুহূর্তের জন্য মনে হলো, পৃথিবীটা আবারও একটু সুন্দর হয়ে উঠেছে।

কিন্তু উৎসব তো চিরদিন থাকে না।

বিজয়ার দিন এসে গেল।

ঢাকের তালে তালে বিদায়ের সুর বাজতে লাগল। প্রতিমার সামনে দাঁড়িয়ে সবার চোখে তখন অদ্ভুত এক শূন্যতা। যে মাকে ঘিরে এত আনন্দ, এত আয়োজন, এত ভালোবাসা, তাঁকেই আবার বিদায় দিতে হবে।

নদীর জলে প্রতিমা বিসর্জনের সময় আকাশটা যেন নীরব হয়ে গেল।

মনে হলো, মা চলে যাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু তাঁর আশীর্বাদ রেখে যাচ্ছেন মানুষের হৃদয়ে।

শরতের কাশফুল আবার দুলবে, শিউলি আবার ঝরবে, আকাশে আবার সাদা মেঘ ভাসবে। সময়ের স্রোতে আরও একটি পূজা স্মৃতির পাতায় চলে যাবে।

তবু অপেক্ষা থেকে যাবে।

আবার শরৎ আসবে।

আবার শিউলির গন্ধে ভরে উঠবে ভোর।

আবার ঢাক বাজবে, শঙ্খধ্বনি উঠবে, প্রদীপ জ্বলবে।

আর সবাই মিলে আবার বলবে,

“মা, এসো।
আবার এসো।
ভালোবাসা, শান্তি আর আশীর্বাদ নিয়ে প্রতি শরতে ফিরে এসো।”

ঠিকানা চট্টগ্রাম বাংলাদেশ

0 Comments

Aditya Bhowmik

পুজো আসছে
আদিত্য ভৌমিক
তারিখ: ২৬/৯/২০২৬

পুজো আসছে, পুজো আসছে, বাজছে আগমনী সুর,
শরতের নীল আকাশ জুড়ে আনন্দ অপরূপ ভরপুর।
কাশফুল দোলে মৃদু হাওয়ায়, শিউলির গন্ধ ভাসে,
মায়ের আগমনের বারতা আজ ছড়িয়ে পড়ে বাতাসে।
ঢাকের তালে জেগে উঠবে বাংলার প্রতিটি প্রাণ,
আলোর মালায় সেজে উঠবে মন্দির, পথ আর অঙ্গন।
মা দুর্গা আসবেন ফিরে আপন সন্তানের মাঝে,
ভক্তির আলো জ্বালবে সবাই ভালোবাসার সাজে।
অপেক্ষার এই প্রহর শেষে আসবে সেই শুভক্ষণ,
১৭/১০/২০২৬ মহাসপ্তমীর মধ্য দিয়ে শুরু হবে শারদীয়া দুর্গোৎসবের পবিত্র আয়োজন।
মায়ের চরণে রাখব সবাই হৃদয়ের যত আশা,
দুঃখ ভুলে ভরে উঠুক পৃথিবী ভালোবাসায়।
এসো মা দুর্গা, এসো আবার,
আনন্দে ভরুক ঘর,
তোমার আশীর্বাদে মুছে যাক
জীবনের সকল অন্ধকার।

ঠিকানা চট্টগ্রাম বাংলাদেশ

0 Comments

Aditya Bhowmik

দেবী দুর্গা আসছেন মানুষের মাঝে
লেখক: আদিত্য ভৌমিক
তারিখ: ২২/৯/২০২৬
শরতের আকাশে সাদা মেঘের ভেলা। কাশফুলের দোলায় প্রকৃতি যেন নতুন করে সেজেছে। ভোরের শিশিরে ভেজা ঘাস আর শিউলির মিষ্টি গন্ধে চারপাশে ছড়িয়ে পড়েছে এক অদ্ভুত আনন্দ। ঢাকের মৃদু শব্দ যেন দূর আকাশ থেকে বলে দিচ্ছে, মা আসছেন।

শহরের পূজামণ্ডপগুলোতে তখন ব্যস্ততা। কেউ প্রতিমা সাজাচ্ছে, কেউ আলোকসজ্জা করছে, কেউ ফুল দিয়ে মণ্ডপ সাজাচ্ছে। ছোট্ট শিশুরা নতুন জামাকাপড় হাতে নিয়ে আনন্দে ছুটে বেড়াচ্ছে। সবার চোখে অপেক্ষা, সবার মনে একটাই আকাঙ্ক্ষা, কখন আসবেন মা দুর্গা।

কিন্তু সেই আনন্দের ভিড়ের বাইরে শহরের এক কোণে থাকত রতন নামের একটি ছোট ছেলে। তার বাবা অনেক দিন ধরে অসুস্থ। সংসারে অভাব। পূজার নতুন পোশাক কেনার সামর্থ্যও তাদের ছিল না। অন্য শিশুরা যখন নতুন জামা পরে মণ্ডপে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, রতন তখন জানালার পাশে বসে চুপচাপ আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকত।

তার মা একদিন মৃদু হেসে বললেন, “মন খারাপ করিস না বাবা। মা দুর্গা সবার ঘরে আনন্দ নিয়ে আসেন।”

রতন মায়ের দিকে তাকিয়ে বলল, “মা কি আমাদের ঘরেও আসবেন?”

মা কিছু বলতে পারলেন না। শুধু ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরে চোখের জল লুকিয়ে রাখলেন।

সেদিন সপ্তমীর সকাল। ঢাকের শব্দে চারদিক মুখরিত। রতন দূর থেকে পূজামণ্ডপের দিকে তাকিয়ে ছিল। হঠাৎ মণ্ডপের কয়েকজন তরুণ তাকে দেখতে পেল। তারা কাছে এসে তার কথা জানতে চাইল। রতনের মুখে হাসি ছিল, কিন্তু চোখের ভেতর লুকিয়ে ছিল অনেক না বলা কষ্ট।

তরুণেরা তার পরিবারের কথা শুনে সিদ্ধান্ত নিল, এবারের পূজায় শুধু প্রতিমার সামনে প্রদীপ জ্বালালেই হবে না, মানুষের ঘরেও আলো জ্বালাতে হবে।

তারা রতনের জন্য নতুন পোশাক নিয়ে এল। তার বাবার চিকিৎসার জন্য সাহায্যের ব্যবস্থা করল। শুধু রতন নয়, আশপাশের আরও কয়েকটি অসহায় পরিবারের হাতে তুলে দিল প্রয়োজনীয় সামগ্রী।

রতন নতুন পোশাক পরে মণ্ডপে এসে দেবী দুর্গার দিকে তাকিয়ে রইল। প্রতিমার চোখের দিকে তাকিয়ে তার মনে হলো, মা যেন সত্যিই তার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসছেন।

তার চোখ দিয়ে আনন্দের অশ্রু গড়িয়ে পড়ল।

সে মনে মনে বলল, “মা, তুমি সত্যিই এসেছ। শুধু মণ্ডপে নও, তুমি মানুষের হৃদয়ে এসেছ।”

সেদিন পূজামণ্ডপে ধূপের গন্ধ, ঢাকের শব্দ আর উলুধ্বনির সঙ্গে মিশে গেল মানুষের ভালোবাসা। কেউ কারও ধর্ম, পরিচয় কিংবা সামর্থ্য দেখল না। সবাই শুধু মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখল।

একজন বৃদ্ধ বললেন, “দেবী দুর্গার আগমন শুধু প্রতিমার আগমন নয়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহস, দুঃখের মাঝে আশার আলো এবং মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসার আগমন।”

সন্ধ্যায় যখন মণ্ডপের হাজারো প্রদীপ জ্বলে উঠল, রতন তার মায়ের হাত ধরে দাঁড়িয়ে ছিল। মায়ের চোখেও তখন আনন্দের জল।

শরতের আকাশে পূর্ণিমার আলো ছড়িয়ে পড়ছিল। দূরে ঢাক বাজছিল। শিউলির গন্ধে ভরে উঠছিল বাতাস।

মনে হচ্ছিল, দেবী দুর্গা শুধু কৈলাস থেকে মর্ত্যে আসেননি। তিনি এসেছেন মানুষের ভালোবাসায়, অসহায়ের মুখের হাসিতে, মায়ের চোখের আনন্দাশ্রুতে, একে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর মানবিকতায়।

কারণ মা দুর্গা যেখানে মানুষের হৃদয়ে ভালোবাসা জাগিয়ে দেন, সেখানেই সৃষ্টি হয় সত্যিকারের পূজা।

এই শরতে তাই আবারও ধ্বনিত হোক মঙ্গলশঙ্খ।

মা আসছেন।

মা আসছেন মানুষের মাঝে।

মা আসছেন ভালোবাসা হয়ে, আশার আলো হয়ে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহস হয়ে।

শুভ শারদীয়া।

0 Comments

প্রতিটি অপেক্ষার মূল্য অনেক ...