Thomas Carew ছিলেন ইংরেজ ক্যাভালিয়ার কবিদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিনিধি। তিনি জন ডান ও বেন জনসনের প্রভাবে সুন্দর, চতুর, ইন্দ্রিয়প্রবণ প্রেমের গান রচনা করেছেন। তাঁর কবিতায় প্রকৃতি, প্রেমের আবেগ, সৌন্দর্যের অমরত্ব ও জীবনের আনন্দের সুন্দর মিশ্রণ আছে। তিনি আদালতের কবি ছিলেন এবং তাঁর রচনায় পরিশীলিত ভাষা ও সুরেলা ছন্দের জন্য বিখ্যাত।
১. একটি গান (A Song: Ask me no more where Jove bestows)
মূল থিম: প্রেমিকার সৌন্দর্যে প্রকৃতির সব সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে।
আর জিজ্ঞাসা কোরো না, জুপিটার কোথায় রাখে
জুন পেরিয়ে যাওয়া ম্লান গোলাপের রঙ—
কারণ তোমার সৌন্দর্যের প্রাচ্য গভীরে
এই ফুলগুলো তাদের উৎসে ঘুমিয়ে আছে।
আর জিজ্ঞাসা কোরো না, দিনের সোনালি পরমাণু
কোথায় হারিয়ে যায়—
কারণ বিশুদ্ধ প্রেমে স্বর্গ তৈরি করেছে
সেই গুঁড়ো তোমার চুলকে সমৃদ্ধ করতে।
আর জিজ্ঞাসা কোরো না, মে পেরিয়ে গেলে
বুলবুল কোথায় চলে যায়—
কারণ তোমার মধুর বিভাজিত কণ্ঠে
সে শীত কাটায় এবং তার সুর গরম রাখে।
আর জিজ্ঞাসা কোরো না, সেই তারাগুলো কোথায় জ্বলে
যা রাতের গভীরে নিচে পড়ে—
কারণ তোমার চোখে তারা বসে আছে,
এবং সেখানে স্থির হয়ে তাদের গোলকের মতো হয়ে গেছে।
২. বসন্ত (The Spring)
মূল থিম: বসন্তের আনন্দের বিপরীতে প্রেমিকার হৃদয়ের শীত।
এখন শীত চলে গেছে, পৃথিবী হারিয়েছে
তার তুষার-সাদা পোশাক, আর তুষার
ঘাসে মিষ্টি বাড়ায় না, কিংবা রুপোলি হ্রদে
কিংবা স্ফটিক-স্রোতে বরফের ক্রিম ছড়ায় না।
কিন্তু উষ্ণ সূর্য অসাড় পৃথিবীকে গলায়,
তাকে কোমল করে; মৃত সোয়ালোকে পবিত্র জন্ম দেয়;
ফাঁপা গাছে ঘুমন্ত কোকিল ও ভোমরাকে জাগায়।
এখন চিড়িয়াখানার গায়কদল বিজয়ের সঙ্গে
তরুণ বসন্তকে পৃথিবীতে নিয়ে আসে।
উপত্যকা, পাহাড় ও বন সমৃদ্ধ সাজে
স্বাগত জানায় আকাঙ্ক্ষিত মে-মাসকে।
এখন সবকিছু হাসে; শুধু আমার প্রেমিকা ভ্রূ কুঁচকে,
আর দুপুরের জ্বলন্ত সূর্যেরও ক্ষমতা নেই
সেই মার্বেল বরফ গলাতে, যা এখনও তার হৃদয় ধরে রেখেছে
শীতল করে তার করুণা।
৩. মধ্যপন্থা প্রেমে প্রত্যাখ্যাত (Mediocrity in Love Rejected)
মূল থিম: প্রেমে চরম আবেগ চাই, মধ্যম নয়।
আমাকে আরও প্রেম দাও, অথবা আরও অবজ্ঞা;
উত্তপ্ত কিংবা হিমায়িত অঞ্চল
আমার যন্ত্রণায় সমান স্বস্তি আনে;
নাতিশীতোষ্ণ কোনো স্বস্তি দেয় না।
আমার হৃদয় তোমার চোখের আগুনে পোড়ে,
অথবা তোমার ঠান্ডা অবজ্ঞায় জমে যায়—
মাঝামাঝি কোনো অবস্থা সহ্য করতে পারে না।
৪. অকৃতজ্ঞ সৌন্দর্যের হুমকি (Ingrateful Beauty Threatened)
মূল থিম: প্রেমিকার অহংকারের বিরুদ্ধে কবির সতর্কবাণী।
জেনে রাখো, সেলিয়া (যেহেতু তুমি এত অহংকারী),
আমিই তোমাকে তোমার খ্যাতি দিয়েছি;
তুমি সাধারণ সুন্দরীদের ভুলে যাওয়া ভিড়ে
অজানা থেকে যেতে।
আমি তোমার সৌন্দর্যকে কবিতায় রূপ দিয়েছি,
তোমার নাম অমর করেছি—
যদি তুমি আমার প্রেম অস্বীকার করো,
তাহলে সেই খ্যাতিও মুছে যাবে।
৫. প্রেমে সাহস (Boldness in Love)
মূল থিম: ভোরের সাহসিকতা ও প্রেমের আহ্বান।
দেখো, কীভাবে লাজুক ভোর বৃথা চেষ্টা করে
প্রেমময় গাঁদা ফুলকে জাগাতে—
সে তার পাপড়ি খোলে না, যতক্ষণ না সূর্যের আলো
তাকে জোর করে জাগায়।
তেমনি তুমি, হে প্রিয়, তোমার হৃদয়ের দরজা খোলো,
আমার প্রেমের আলোকে ভেতরে ঢুকতে দাও।
৬. একটি ঐশ্বরিক প্রেমিকা (A Divine Mistress)
মূল থিম: প্রেমিকাকে দেবী হিসেবে বর্ণনা।
প্রকৃতির সৃষ্টিতে আমরা যে সৌন্দর্য দেখি,
তা সব তোমার মধ্যে একত্রিত হয়েছে।
তোমার চোখে তারা জ্বলে, তোমার চুলে সোনা ঝলমলায়,
তোমার ঠোঁটে গোলাপ ফোটে—
তুমি স্বর্গের একটি অংশ পৃথিবীতে এনেছ।
৭. বাতাসের কাছে প্রার্থনা (A Prayer to the Wind)
মূল থিম: বাতাসকে প্রেমের বার্তা বহন করতে বলা।
হে বাতাস, যে দোল খাও কোনো ভরা শস্যের দাড়ির উপর,
যাও, আমার প্রিয়ের কানে ফিসফিস করে বলো
আমার হৃদয়ের কথা।
তাকে বলো, আমি তার জন্য অপেক্ষা করি,
যেমন শুকনো মাঠ বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করে।
৮. আনন্দের প্ররোচনা: একটি গান (Persuasions to Joy: A Song)
মূল থিম: জীবনের সংক্ষিপ্ততায় প্রেম ও আনন্দ উপভোগ করার আহ্বান।
যদি তোমার চোখের দ্রুত আত্মা
এখন দুর্বল হয়ে পড়ে এবং শীঘ্রই মরে যায়,
তাহলে আজই আনন্দ করো—
কাল হয়তো খুব দেরি হয়ে যাবে।
প্রেমের মধু চাখো যতক্ষণ সময় আছে,
কারণ সময় দ্রুত উড়ে যায়।
৯. অম্লান সৌন্দর্য (The Unfading Beauty)
মূল থিম: প্রকৃত সৌন্দর্য শারীরিক নয়, আত্মার।
যে গোলাপি গাল বা প্রবাল ঠোঁটের প্রশংসা করে,
সে শুধু বাইরের সৌন্দর্য দেখে।
কিন্তু প্রকৃত সৌন্দর্য হৃদয়ে বাস করে—
যা সময়ের সঙ্গে ম্লান হয় না।
১০. অবজ্ঞা প্রত্যাহার (Disdain Returned / অনুরূপ)
মূল থিম: প্রেমিকার অবজ্ঞার জবাব।
যদি তুমি আমার প্রেম অবজ্ঞা করো,
তাহলে আমিও তোমার সৌন্দর্য অবজ্ঞা করব।
কিন্তু যদি তুমি ভালোবাসো,
তাহলে আমার হৃদয় তোমার জন্য চিরকাল খোলা থাকবে।
থমাস ক্যারিউ (Thomas Carew, ১৫৯৫–১৬৪০): ক্যাভালিয়ার যুগের সুন্দরতম গীতিকবি ও আদালতের কবি
থমাস ক্যারিউ ইংরেজ সাহিত্যের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নাম—ক্যাভালিয়ার কবিদের (Cavalier Poets) অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিনিধি। তিনি ছিলেন চার্লস প্রথমের রাজদরবারের কবি, যিনি জন ডানের মেটাফিজিক্যাল চিত্রকল্প ও বেন জনসনের পরিশীলিত ছন্দের মিশ্রণে অপূর্ব সুন্দর, ইন্দ্রিয়প্রবণ ও চতুর প্রেমের গান রচনা করেছেন। তাঁর কবিতায় প্রেমের আবেগ, শারীরিক সৌন্দর্য, জীবনের ক্ষণস্থায়ী আনন্দ (carpe diem) এবং আদালতের জীবনের সূক্ষ্ম অনুভূতি ফুটে উঠেছে। “A Song” (Ask me no more where Jove bestows), “The Spring”, “A Rapture” (তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত ও বিতর্কিত কবিতা) এবং ডানের উপর এলিজির মতো রচনা তাঁকে ইংরেজ গীতিকবিতার অন্যতম মাস্টার করে তুলেছে।
তাঁর জীবন ছিল আদালতের ঔজ্জ্বল্য, ভ্রমণ, বন্ধুত্ব, প্রেম ও শেষ জীবনে অনুশোচনার মিশ্রণ। তিনি ছিলেন রাজতন্ত্রপন্থী (Royalist) কবিদের প্রতীক—যাঁরা চার্লস প্রথমের দরবারে বিলাসী, মুক্ত ও সৃজনশীল জীবন যাপন করেছেন, কিন্তু ইংরেজ গৃহযুদ্ধের প্রাক্কালে মৃত্যুবরণ করেছেন।
জন্ম ও পরিবার
থমাস ক্যারিউ ১৫৯৪–১৫৯৫ সালের মধ্যে (সম্ভবত ১৫৯৫) জন্মগ্রহণ করেন। জন্মস্থান West Wickham, Kent, ইংল্যান্ড। তিনি ছিলেন Sir Matthew Carew (মাস্টার ইন চ্যান্সারি)-এর পুত্র এবং Alice-এর সন্তান (যিনি Sir John Rivers-এর কন্যা এবং Ingpen-এর বিধবা ছিলেন)। সম্ভবত তিনি এগারো সন্তানের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন। পিতা ১৬০৩ সালের দিকে নাইট উপাধি পান এবং বয়সে বেশ বয়স্ক ছিলেন যখন থমাস জন্ম নেন।
শিক্ষা
১৬০৮ সালের জুনে মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি Merton College, Oxford-এ ভর্তি হন। ১৬১১ সালের শুরুতে B.A. ডিগ্রি লাভ করেন। পরে Middle Temple-এ আইন অধ্যয়ন শুরু করেন। কিছু সূত্রে ১৬১২ সালে Cambridge থেকেও B.A. পাওয়ার কথা উল্লেখ আছে। তবে অক্সফোর্ড ও মিডল টেম্পল তাঁর প্রধান শিক্ষাক্ষেত্র। ১৬১৩ সালে পিতা Sir Dudley Carleton-কে অভিযোগ করেন যে ছেলে ভালোভাবে পড়াশোনা করছে না।
প্রারম্ভিক কর্মজীবন ও বিদেশ ভ্রমণ
১৬১৫ সালে তিনি Sir Dudley Carleton-এর (ভেনিস ও হেগ-এর রাষ্ট্রদূত) সঙ্গে ইতালিতে যান। ১৬১৬ সালের শুরুতে The Hague-এ Carleton-এর সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করেন, কিন্তু একই বছর শরতে “levity and slander” (হালকা আচরণ ও অপবাদ)-এর অভিযোগে চাকরি হারান। এরপর চাকরি খুঁজতে কষ্ট হয়।
১৬১৮ সালের আগস্টে পিতার মৃত্যুর পর তিনি Edward Herbert, Baron Herbert of Cherbury-এর সেবায় যোগ দেন। ১৬১৯ সালের মার্চে ফ্রান্সে যান এবং ১৬২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সেখানে থাকেন। এই সময় তিনি ইউরোপীয় সংস্কৃতি ও সাহিত্যের সঙ্গে পরিচিত হন।
আদালতের জীবন ও সাহিত্যকর্ম
ক্যারিউ “followed the court before he was of it”—অর্থাৎ আদালতের চারপাশে ঘুরতেন কিন্তু স্থায়ী পদ পাননি। ১৬২৮ সালের দিকে Chamber-এ নিযুক্তি পান। সম্ভবত ১৬৩০ সালে তিনি King Charles I-এর “server” বা “taster-in-ordinary” (রাজার খাবারের স্বাদ গ্রহণকারী) হন।
তিনি দরবারের উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব ছিলেন—Sir John Suckling, Ben Jonson ও Edward Hyde (পরবর্তীতে Earl of Clarendon)-এর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। Clarendon তাঁকে “pleasant and facetious wit” বলে বর্ণনা করেছেন। John Donne (১৬৩১ সাল পর্যন্ত) তাঁর আদালতের প্রচারক হিসেবে প্রভাব ফেলেন।
প্রধান সাহিত্যকর্ম:
- Poems (প্রথম সংস্করণ ১৬৪০, মৃত্যুর পর প্রকাশিত; ১৬৫১ সালে তৃতীয় সংস্করণ) — গীতিকবিতা, গান, প্যাস্টোরাল, এলিজি, মাঝে মাঝে কবিতা। অর্ধেকের বেশি ৫০ লাইনের কম। সবচেয়ে দীর্ঘ “A Rapture” (১৬৬ লাইন) — অত্যন্ত ইরোটিক ও কল্পনাপ্রবণ।
- Coelum Britannicum (মাস্ক, ১৬৩৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে Whitehall-এ অভিনীত, ১৬৩৪-এ মুদ্রিত) — তাঁর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নাট্যকর্ম।
- বিখ্যাত কবিতা: “A Song” (Ask me no more where Jove bestows), “The Spring”, “Mediocrity in Love Rejected”, “Ingrateful Beauty Threatened”, “A Rapture”, ডানের উপর এলিজি (“An Elegy upon the Death of Dr. John Donne”) — যা ডানের কাব্যশৈলীর চমৎকার সমালোচনা।
তাঁর কবিতায় “Celia” নামে এক প্রেমিকার প্রতি অনেক গান আছে—প্রেম, শারীরিক আকর্ষণ, ক্ষণস্থায়ী সৌন্দর্যের থিম।
সাহিত্যিক শৈলী ও প্রভাব
ক্যারিউ ছিলেন ডান ও জনসনের মধ্যে সেতুবন্ধনকারী কবি। ডানের কাছ থেকে নিয়েছেন চিত্রকল্পের সমৃদ্ধি ও মেটাফিজিক্যাল গভীরতা; জনসনের কাছ থেকে ছন্দের স্পষ্টতা ও পরিশীলন। তাঁর কবিতা sensuous (ইন্দ্রিয়প্রবণ), সুরেলা ও রঙিন। তিনি আদালতের ছোটখাটো ঘটনাকে কবিতায় রূপ দিতেন। “A Rapture”-এ কল্পনার সমৃদ্ধি আছে, কিন্তু কিছু সমালোচক এর অতিরিক্ত ইরোটিকতার কথা বলেছেন।
তিনি ছিলেন পেশাদার ক্যাভালিয়ার গীতিকবি—যিনি প্রেম, সৌন্দর্য ও আদালতের জীবনকে কেন্দ্র করে লিখেছেন।
ব্যক্তিগত জীবন
তিনি “Celia” নামে এক মহিলার সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রেখেছিলেন—যাঁকে তাঁর অনেক কবিতায় সম্বোধন করা হয়েছে। বিবাহিত ছিলেন কি না, স্পষ্ট তথ্য কম; জীবন মূলত আদালতকেন্দ্রিক ছিল। যৌবনে তিনি libertine (মুক্তাচারী) জীবনযাপন করেছেন বলে মনে করা হয়। শেষ জীবনে অসুস্থতায় তিনি নিজের অতীত জীবনের জন্য অনুশোচনা করেছিলেন।
মৃত্যু ও উত্তরাধিকার
১৬৪০ সালের ২২ মার্চ (বা ২৩ মার্চ) তিনি মৃত্যুবরণ করেন (বয়স প্রায় ৪৪–৪৫)। তাঁকে St. Dunstan-in-the-West-এ সমাহিত করা হয়। মৃত্যুর আগে John Hales-এর সঙ্গে দেখা করেন এবং প্রার্থনা চান, কিন্তু sacrament বা absolution নিতে অস্বীকার করেন বলে কিছু সূত্রে উল্লেখ আছে। তাঁ Place-এর উত্তরাধিকারী নিযুক্ত হয় ২২ মার্চ।
মৃত্যুর পর ১৬৪০ সালে Poems প্রকাশিত হয়। ১৭শ শতাব্দীর শেষে তাঁর খ্যাতি কমে যায়, কিন্তু ২০শ শতাব্দীতে (বিশেষ করে F.R. Leavis-এর সমালোচনায়) পুনর্মূল্যায়ন হয়। তিনি ইংরেজ গীতিকবিতার অন্যতম মাস্টার হিসেবে স্বীকৃত। Edmund Gosse তাঁর সেরা কবিতাকে “brilliant lyrics of the purely sensuous order” বলে প্রশংসা করেছেন। তিনি Suckling, Lovelace প্রমুখ পরবর্তী ক্যাভালিয়ার কবিদের প্রভাবিত করেছেন।
থমাস ক্যারিউ ছিলেন একজন সত্যিকারের আদালতের কবি—যিনি সৌন্দর্য, প্রেম ও ক্ষণস্থায়ী আনন্দকে কবিতায় ধরে রেখেছেন। তাঁর রচনা আজও পাঠককে মুগ্ধ করে তার সুরেলা ভাষা ও গভীর অনুভূতি দিয়ে।