Ram joarder

জীবন দিয়ে ভালো বাসি
রাম জোয়ার্দার

দিপ্তি তুমি আমার
হৃদয়ের আখি,
আমি ভালো বাসি
তোমার পেলে পাইব স্বর্গ
চন্দ্র টারে ধরবো।
তোমার বিনা এ জীবন ব্যার্থ
মরবো আমি মরবো
তুমি ছাড়া অন্ধ জীবন
নদীর বিনা কুল
আলো বিনা আধার ভৃবন
পাপড়ি ঝরা ফুল
তুমি চাইলে জগৎ টারে
হাতের মুঠোর আনবো
তোমার পেলে মরণ টারে
দূরে সরিয়ে রাখব।
তুমি মোর কোকিলের ডাক ফাল্পুন
ভালো বাসার পাখি
চারি দিকে জ্বলবে আগুন
মোরে দিলে ফাঁকি।

0 Comments

Ram joarder

সুখের কবুতর

রাম জোয়ার্দার

পৃথিবীতে আর কিছু না থাক অনেক ভালো বাসা ছিল
পৃথিবীতে কেউ কিছু না পাক তবু কিছু পাওয়ার ছিল
পৃথিবীতে কেউ কিছু না জানুক তবু অনেক জানার ছিল
পৃথিবীতে সব ছিল সব আছে কারণ মানুষের প্রয়োজন ছিল।
এখন দুঃসময় হোলেও সুখের কবুতর এসে
শান্তি খবর দিলো
বলল- সব আছে সব পাবে শুধু সামনে এগিয়ে চলো।

0 Comments

Ram joarder

উদ্দেশ্যহীন
রাম জোয়ার্দার

সুখ তুমি কি?
সর্বদাই তাই ভাবি
কখনো অপেক্ষিত কখনো ব্যপ্তি
সন্ধানে তোমার কত জীবনের সমাতি
পদ ঘাট কত বট
সাক্ষী কত নদী
বিশ্বাস রেখো করবো বিচার
একবার পাই যদি
খুঁজতে খুঁজতে আজ হয়েছি হ্যন
মানুষ নই আমরা সকলে বন্য।

0 Comments

Ram joarder

সলেমানপুর দত্ত বাড়ি: ইতিহাসের গর্বিত সাক্ষী

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) রাম জোয়ার্দার

ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর—এক প্রাচীন জনপদ, যার প্রতিটি ইট-পাথরের গায়ে লুকিয়ে আছে অসংখ্য ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গল্প। এই জনপদের বুকেই দাঁড়িয়ে আছে সলেমানপুর দত্ত বাড়ি, সময়ের সাক্ষী হয়ে।

রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা হলুদ রঙের এই বিশাল বাড়িটি প্রথম দেখায় জমিদার বাড়ি মনে হলেও, প্রকৃতপক্ষে এটি ছিল ব্যবসায়ী পরিবারের আবাস। পেশায় ছিলেন ব্যবসায়ী দুই ভাই—নরেণ দত্ত ও বিরেণ দত্ত। তাদের হাত ধরেই গড়ে ওঠে এই নকশা খচিত দৃষ্টিনন্দন ভবন। সঠিক নির্মাণকাল আজও অজানা, তবে ধারণা করা হয়, ১৯শতকের শুরুর দিকে এর জন্ম। ব্রিটিশ আমলের নিপুণ কারুকাজে গড়া এই বাড়িটি এখনও গর্বের সাথে সেই সময়ের স্থাপত্যশৈলী বহন করে চলেছে।

কালের আবর্তে দত্ত পরিবারের মালিকানা বদলে যায়। বাড়িটি পরে ক্রয় করেন ব্যবসায়ী বিষ্টু চরণ সাহা। সেই থেকেই স্থানীয়দের কাছে এটি পরিচিত হয় “সাহা বাড়ি” নামে। বর্তমানে সাহা পরিবারের উত্তরসূরিরা ঐতিহ্যবাহি বাড়িতে বসবাস করছেন গর্বের সাথে।

বাড়ির ভেতরে রয়েছে এক বিশাল মন্দির, যা এখনো প্রাণের স্পন্দন ছড়িয়ে দেয় পুরো প্রাঙ্গণে। প্রতি বছর শারদীয় দুর্গাপূজার সময় এই বাড়ি যেন প্রাণ ফিরে পায়—প্রাঙ্গণ ভরে ওঠে ঢাকের শব্দ, আলো-সজ্জা আর আনন্দোৎসবের উচ্ছ্বাসে। সলেমানপুরের মানুষ ছাড়াও দূরদূরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীরা মিলিত হন এই উৎসবে।

সলেমানপুর দত্ত বাড়ি কেবল একটি স্থাপনা নয়, এটি সময়ের নিরব কাহিনি—যেখানে ইতিহাসের ছোঁয়া, সংস্কৃতির গর্ব এবং মানুষের আবেগ একসাথে মিশে আছে। পুরনো দেয়ালগুলোর ফাঁক গলে আজও যেন ভেসে আসে অতীতের হাসি-কান্না, ব্যবসার সাফল্য আর পারিবারিক আনন্দের গল্প। এই বাড়ি কোটচাঁদপুরের ঐতিহ্যকে আজও বাঁচিয়ে রেখেছে, প্রমাণ করছে—সময় যতই এগিয়ে যাক, ইতিহাসের আলো কখনও নিভে যায় না।

0 Comments

Ram Joarder

চিরতরে বিদায় নিয়ে
আজ কেন যাচ্ছ চলে
ঐ নয়ন চুপি চুপি
দেখবে না আর কোন দিন
নীরব শ্মশান ঘাটে,
হৃদয় দিয়ে আমার কিনে
করেছিলে ভালোবাসার ক্রীতদাস
যেদিন উতাল নদীর তীরে
ধরেছিলে দুহাত শক্ত করে
সেদিন অনন্ত সময় গেছে বয়ে
তোমার চোখে চেয়ে।
আজ চাঁদ মুখে ঢেকেছে
গ্রহনের কালো আঁধারে
আজ আমার ছেড়ে
ওপারে আপন করেছ যারে
তার কাছে সুখে থেকো
ওখানে নেই সুখ বিরহ
পথ চলেছি একা
অচিন পুরে পাবো তোমার দেখা
ঔ খানে সুখে রেখ
আর করো না একা।

0 Comments

প্রতিটি অপেক্ষার মূল্য অনেক ...